আন্দোলনের প্রস্তুতি ॥ পুনর্গঠিত ছাত্রদলের সকল ইউনিট

ছাত্রদলকে এক সময় বিএনপির ভ্যানগার্ড বলে অভিহিত করা হতো। তবে বর্তমানে সেই সুখ্যাতি নেই ছাত্রদলের। মূল সংগঠন বিএনপির ডাকা আন্দোলনে খুব বেশি সক্রিয় অবস্থানে দেখা যায় না ছাত্রদলকে। সামনে আরেকটি জাতীয় নির্বাচন। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুখে শোনা যাচ্ছে আন্দোলনের হুংকার। এরকম অবস্থায় সিলেটে প্রস্তুত হচ্ছে ছাত্রদল। আন্দোলনের ডাক এলেই ঝাঁপিয়ে পড়তে চান জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতারা। সে লক্ষ্যে বৈঠকও করেছেন তারা। একইসাথে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের আওতাধীন সকল ইউনিট পুনর্গঠনের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধিত সভায় বসে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল। নগরীর একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে অনুষ্ঠিত সে বৈঠকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসান, সিনিয়র সহসভাপতি তোফায়েল আহমদসহ জেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রদল সূত্র জানায়, ওই সভায় আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটে ছাত্রদলের কী ভূমিকা হবে, সে বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। সরকারের সাথে সমঝোতা না হলে এবং কেন্দ্র থেকে যদি আন্দোলনের ডাক আসে, তবে জোরালোভাবে রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত নেন ছাত্রদল নেতারা। বিভক্তি এড়িয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রতি জোর দেন তারা।
এ বিষয়ে সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন বলেন, ‘আন্দোলনের ডাক এলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা যাতে রাজপথে নামতে পারি, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
এদিকে, সিলেটে ছাত্রদলের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে জেলা ও মহানগর শাখার আওতাধীন সকল ইউনিট পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে খুব শিগগিরই জেলা ছাত্রদলের আওতাধীন ১৩টি উপজেলা শাখা এবং মহানগর ছাত্রদলের আওতাধীন ২৭টি ওয়ার্ড শাখা, এমসি কলেজ শাখা ও মদনমোহন কলেজ শাখার কমিটি বাতিল করা হবে। জীবনবৃত্তান্ত আহবান করে এসব শাখায় নতুন করে কমিটি দেয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই আমরা জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের আওতাধীন সকল ইউনিট পুনর্গঠন করতে চাই। শিগগিরই সকল ইউনিটের কমিটি বাতিল করা হবে।’ (খবর সংবাদদাতার)