জৈন্তাপুর ও বড়লেখায় শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

49

বড়লেখা সংবাদদাতা

জৈন্তাপুর ও মৌলভীবাজারের বড়লেখায় শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ দু’উপজেলার আগাম কালবৈশাখির ঝড়ের শিলাবৃষ্টিতে ক্ষেতের ফসলি জমি ও বাড়ি-ঘরের চাল ফুটো হয়ে গেছে। এমনকি ওইদিন সিলেটের বিভিন্ন উপজেলায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে।
বড়লেখা: বড়লেখায় ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টিতে ঘরের টিন ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে কালবৈশাখি ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নসহ উপজেলার কিছু এলাকায় ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয় এবং এলাকার একাধিক পরিবারের টিনের চালা ফুটো হয়েছে। আকস্মিক এ শিলাবৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা। মুহ‚র্তেই ফাঁকা হয়ে যায় রাস্তাঘাট। সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটতে বাধ্য হন। উপজেলার বাসিন্দা শাহরিয়ার শাকিল জানান, সন্ধ্যার পর থেকে বড়লেখা এলাকায় শীতল হাওয়া বইছিল। রাত ৮টার পর থেকে তীব্র গতিতে ঝড়ো হাওয়া বয়, পরে বজ্রবৃষ্টি হয়। এ সময় শিলাবৃষ্টি হয়।
শিলাবৃষ্টির ফলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে ধান, সবজি ও অন্যান্য মৌসুমি ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
জৈন্তাপুর: জৈন্তাপুরের ওপর দিয়েও বয়ে গেছে ঝড়ো হাওয়া, সঙ্গে ছিল ব্যাপক শিলাবৃষ্টি। এতে ঘরের টিন ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় থেকে পশ্চিম আকাশে ব্যাপক গর্জন শুরু হয়। এরপর ৯টা থেকে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নসহ উপজেলার কিছু এলাকায় ব্যাপক শিলাবৃষ্টি হয়। ফসলের ক্ষতির পাশাপাশি ওই এলাকার একাধিক অধিক পরিবারের টিনের চালা ফুটো হয়েছে।
হরিপুর গ্রামের বাসিন্দা আয়না মিয়া বলেন, আমার ঘরের টিন ফুটো হয়ে গেছে। এখন বাইরে পানি পড়ার আগে আমার ঘরে পানি পড়বে। শুধু আমার নয়, আমার এলাকার অনেক পরিবারের একই অবস্থা।