স্টাফ রিপোর্টার :
নিত্যপণ্যের ‘সিন্ডিকেট’ তৈরি করে ভোক্তাদের কাছ থেকে অবৈধভাবে বেশি টাকা আদায় করেন অসাধু কতিপয় ব্যবসায়ী। ৬ মাস আগে সিলেটে ভোজ্যতেল সয়াবিন নিয়ে কারসাজি করেন অবৈধ মুনাফাখুর ব্যবসায়ীরা। এবার আরেক নিত্যপণ্য চিনিতেও মানুষের পকেট কাটছেন তারা।
তবে বিষয়টি জানতে পেরে ও চিনির বাজার স্থিতিশীল রাখতে মাঠে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তর। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার বাজার তদারকিতে নেমে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিদপ্তর পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত।
শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মহানগরের ভার্থখলাবাজার, কাজিরবাজার, বন্দরবাজার ও কালিঘাট বাজার ও লালদিঘির পাড়ে র্যাব-৯ সদস্যদের সহায়তায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ। এ সময় সরকার নির্ধারিত মূ্ল্েয চিনি বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন, পাকা রশিদ সংরক্ষণ ও অতিরিক্ত দামে চিনি বিক্রি করা হচ্ছে কি-না বিষয়টি তদারকি করা হয়। তবে অভিযানকালে মূল্য তালিকা না রাখা এবং অতিরিক্ত দামে চিনি বিক্রির অপরাধে বন্দরবাজারের মনির অ্যান্ড সন্সকে ২ হাজার টাকা, কালিঘাটে সিলেট গ্রোসারি শপকে একই অপরাথে ৩ হাজার টাকা, মাহের ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা ও লালদিঘির পাড়ের আল মদিনা সুপার শপকে আরও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও কালিঘাট বাজারের সব পাইকারি বিক্রেতাকে অতিরিক্ত মূল্যে চিনি বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করা হয়।
অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন- মিলে এবং চিনির আড়ৎগুলোতে দাম বেশি রাখায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে চিনির দামে প্রভাব পড়ছে।
ভোক্তা অধিদফতর সিলেটের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ জানান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে শনিবার চিনির দাম তদারকি করে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে কয়েকটি দোকানে চিনির দাম ‘মূল্য তালিকার’ চেয়ে বেশি রাখায় জরিমানা এবং অন্যগুলোকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, খোলা চিনি ৯০ ও প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকা দামে বিক্রি করতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার।




