বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন, ১০টি পদে ৩৮ জনের মনোনয়নপত্র জমা

7

জৈন্তাপুর থেকে সংবাদদাতা :
সিলেটের সর্ববৃহৎ শ্রমিক সংগঠন বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-১৯০৯) এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে ২ অক্টোবর শুক্রবার মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে ১০টি পদের বিপরিতে ৩৮ জনের মনোনয়পত্র দাখিল করে। আগামী ২৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বৃহত্তর শ্রমিক সংগঠনের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২০।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, উত্তর পূর্ব সিলেটের ৪টি উপজেলা নিয়ে গঠিত বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন (রেজিঃ নং-১৯০৯) এর ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অত্র সংগঠনের প্রায় ৩ হাজার ৪শত ৮০জন ভোটার মধ্যে হতে মনোয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ১০টি পদে ৩৮জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করে। তার মধ্যে সভাপতি পদের প্রাথীরা হলেন- অত্র সংগঠনের সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ আলী আকবর, মোঃ এনামুল হক এনাম, মোঃ জমির উদ্দিন। সহ-সভাপতি পদের প্রার্থিরা হলেন- মোঃ সমসুর উদ্দিন, মোঃ শাহাব উদ্দিন, মোঃ জালাল উদ্দিন, মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ কামাল হোসেন। সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন- মোঃ আব্দুর রব, মোঃ মোস্তফা কামাল, মোঃ আব্দুর রব। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন- মোঃ মামুনুর রশিদ, মোঃ আজিজুর রহমান, মোঃ মাজিদুল হক মজিদ, মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, সংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন- মোঃ সুনু মিয়া, মোঃ লিয়াকত আলী। দপ্তর সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন- মোঃ হাবিব আহমদ, মোঃ তোফাজ্জল হোসেন। ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন মোঃ শাহাজান আহমদ, মোঃ হেলাল মিয়া, মোঃ জামিল আহমদ। কোষাধ্যক্ষ পদের প্রার্থীরা হলেন মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ মোস্তফা মিয়া। প্রচার সম্পাদক পদের প্রার্থীরা হলেন- মোঃ আব্দুর শুকুর, মোঃ আনিছ উদ্দিন, মোঃ সুহেল আহমদ। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোঃ অধূদ মিয়া, মোঃ নেকই মিয়া, মোঃ আব্দুল হান্নান, মোঃ ফরিদ উদ্দিন, মোঃ ধলাই মিয়া, মোঃ আব্দুল্লাহ, মোঃ শাহজাহান, মোঃ ফরিদ মিয়া, মোঃ লুৎফুর রহমান।
আগামী ৩ অক্টোবর হতে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই, ৬ হতে ৭ অক্টোবর আপিল গ্রহণ এবং প্রার্থীতা প্রত্যাহার, ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ। ২৪ অক্টোবর সকাল ৮টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত নিজপাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য বিগত ২০১৫ সালে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সংগঠনের বিভিন্ন জটিলতা সহ সাম্প্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাসের কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশন ইতোপূর্বে তপশীল ঘোষণা করে।