প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন ॥ জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন

14
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রবাসীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

কাজিরবাজার ডেস্ক :
জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা ও নারী অধিকার, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করনীয় নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এবার গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ ও ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এখন চাঙ্গা। দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্য থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেত্রীকে এব নজর দেখতে নিউইয়র্কে এসেছেন। পুরো বাঙালী কমিউনিটির মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
এদিকে নিউইয়র্ক সময় রবিবার বেলা সাড়ে চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রী ইতিহাদ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র ও নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগের কয়েক হাজার নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে স্লোগান দেন। পরে মোটর শোভাযাত্রা করে প্রধানমন্ত্রীকে হোটেলে নিয়ে যান নেতাকর্মীরা। এ সময় নিউইয়র্ক পুলিশ ও নিরাপত্তা রক্ষীদের কর্মব্যস্ততাও ছিল চোখে পড়ার মতো।
বিমানবন্দর থেকে ম্যানহটনের লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে এ হোটেলেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। ইতোমধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অন্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরাও নিউইয়র্কের প্যালেস হোটেলে অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের সরকার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গি হিসেবে তার বোন শেখ রেহানা রয়েছেন। এছাড়া সফরের সময় মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গি হিসেবে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই থেকে একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেছে। এ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংগঠনটির সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। এছাড়া জাতিসংঘের এই অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঢাকা থেকেও গণমাধ্যম কর্মীরা এসেছেন।
এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ ও ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ এ্যাওয়ার্ড সম্মাননায় ভূষিত করবে জাতিসংঘ। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচীর সাফল্যের জন্য গ্লোবাল এ্যালায়েন্স ফর ভ্যাক্সিনেস এ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জেএভিআই) এবং জাতিসংঘ শিশু তহবিল ইউনিসেফের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানজনক এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বক্তব্য রাখবেন। এ ব্যাপারে জাতিসংঘের সহায়তাসহ বিশ্বনেতাদের সমর্থন আদায়ে যুক্তিসঙ্গত জোরালো বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা। শুধু তাই নয়, এ ইস্যতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেদারল্যান্ডের রানী ম্যাক্সিমা, জাতিসংঘ মহাসচিব এ্যান্তোনি গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন তিনি। তিনি বলেন, অক্টোবরে ভারত সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। তবে এর আগে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত হবে। এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটা তাদের সমস্যা। এটা বাংলাদেশের কোন সমস্যা নয়। তবে আমরা এ নিয়ে সতর্ক রয়েছি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে পারেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তাতে তিনি জাতিসংঘকে মানুষের ভবিষ্যত আশা-আকাক্সক্ষার কেন্দ্রস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের এবারের প্রতিপাদ্য জাতির পিতার সেই ভাষণের অভীষ্ট লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এবারের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব বিষয়ে অংশ নিচ্ছেন, তার মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু, টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা ও নারী অধিকার, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা প্রভৃতি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে উপস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সর্বোচ্চ রাজনৈতিক পর্যায়ে রোহিঙ্গা ইস্যুর বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়ের আরও জোর সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করা হবে বলে জানান স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
এদিকে নিউইয়র্ক সময় সোমবার বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেলসন ম্যান্ডেলা পিস সামিটে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া এদিন জাতিসংঘ সদর দফতরে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে যৌথভাবে ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের বহুপক্ষীয় প্যানেলে বৈঠক পরিচালনা করবেন শেখ হাসিনা। একইদিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ হলে ক্লাইমেট এ্যাকশন সামিটে তিনি বক্তব্য দেবেন।
এছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে ২৬ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ পরিষদের জেনারেল ডিবেট অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। প্রতিবারের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী বাংলায় ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে থাকবে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সমস্যা, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, অভিবাসী শ্রমিকের অধিকার আদায়, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন, অবকাঠামোগত মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশের সাফল্যগাথার বিষয়গুলো।
শুধু তাই নয়, ভিশন-২১-এর আলোকে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার ইতোমধ্যে যে কার্যক্রম শুরু করেছে, সে বিষয়ে আলোকপাতের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাশাগুলোও বক্তব্যে তুলে ধরা হবে। এছাড়া বাংলাদেশ প্রেক্ষিত দ্বিতীয় পরিকল্পনা রূপকল্প-২০২১-২০৪১ এবং ব-দ্বীপ পরিকল্পনা, ডেল্টা প্লান এবং সমুদ্র সম্পদ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামসী ২৮ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন মিলনায়তনে তাঁর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন। এছাড়া নিউইয়র্কেও হোটেল ম্যারিয়ট মারকুইসে বাংলাদেশী কমিউনিটি আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
নিউইয়র্কে অবস্থানের সময় প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধান, জাতিসংঘ মহাসচিব, কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আয়োজিত একটি অভ্যর্থনায় এবং জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারও কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতকার নেবে বলে জানা গেছে। এছাড়া শরণার্থীবিষয়ক বৈশ্বিক কমপ্যাক্ট ও শিক্ষাবিষয়ক দুটি উচ্চপর্যায়ের ইভেন্টে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই দিনে ইউএস চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত একটি গোলটেবিল বৈঠকে তিনি অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ-বিষয়ক কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত সাইবার সিকিউরিটি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেবেন। এছাড়া তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের চতুর্থ শিল্পবিপ্লব-সম্পর্কিত একটি প্যানেলে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।
শেখ হাসিনার আগমনে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ চাঙ্গা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক সফরকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এখন চাঙ্গা। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের আওয়ামী লীগ প্রতিনিধিরা এখন নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। প্রতিদিনই হচ্ছে সভা, সেমিনার এবং বৈঠক। প্রতিটি বৈঠকে নেতাকর্মীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের একটি পক্ষ কাউন্সিল চাইলেও অপরপক্ষ এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি যে নির্দেশনা দেবেন তা সবাই মাথা পেতে নেবেন বলে জানিয়েছেন। নেতাকর্মীরা বলছে, শেখ হাসিনাই দলের প্রাণ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সব সময় নেত্রীর নির্দেশনায় চলছে, ভবিষ্যতেও কেউ অবাধ্য হবে না। তবে হাইব্রিড খ্যাত কিছু দুষ্ট চক্র এখানেও রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগে কোন বিভেদ নেই। তবে কেউ কেউ কাউন্সিলের কথা বলে বিভক্তি তৈরি করতে চান। এটা ঠিক নয়। দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশেই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, নেত্রী কাউন্সিল দিলে আমরা প্রস্তুতি নেব। তবে এখনও এ ধরনের কোন নির্দেশনা সভাপতি দেননি। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের এবারের অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন বিশ্বমানবতার নেতায় পরিণত হয়েছেন। তাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক বাবুল মোহাম্মদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফর অত্যন্ত সফল হয়েছে। প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত আরও শক্তিশালী করতে নিউইয়র্ক আওয়ামী লীগ প্রতিজ্ঞা বদ্ধ।
এদিকে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন। ৩০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় রাত ৮টায় শেখ হাসিনা আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি বিমানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ১ অক্টোবর ভোরে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।