সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা কথাসাহিত্যের এক শক্তিশালী নাম। তাঁর সরস বৈদগ্ধ্য বাংলা সাহিত্যে সংযোজন করেছে নতুন মাত্রা। আমাদের ভ্রমণসাহিত্যকে তিনি ঋদ্ধ করেছেন কিংবদন্তিতুল্য ‘দেশে-বিদেশে’সহ আরও নানা গ্রন্থের মধ্য দিয়ে। রম্যরচনা থেকে শুরু করে শিক্ষামূলক রচনা-সব ক্ষেত্রেই তিনি অনন্য। সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের এক স্বনামধন্য চরিত্র ছিলেন, যাঁকে আমাদের সাংস্কৃতিক জাগরণের এক আলোকবর্তিকা হিসেবে গণ্য করা হয়।
সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও কেমুসাসের ১২৪৭তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং ছড়াকার ও চিত্রশিল্পী কবির আশরাফের সঞ্চালনায় আসরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক মোহাম্মদ আব্দুল হক। সৈয়দ মুজতবা আলীকে নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছড়াকার ও প্রাবন্ধিক ইউনুছ আলী। অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সুরমা মেইলের সাহিত্য সম্পাদক ভ্রমণকাহিনী লেখক মোয়াজ আফসার ও কবি মাহফুজ জোহা।
সাহিত্য আসরের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হুসাইন হামিদ। আসরে লেখা পাঠে অংশনেন ও উপস্থিত ছিলেন এম. এ ওয়াহিদ চৌধুরী, এ বি এম হাসান চৌধুরী, তাসলিমা খানম বীথি, কামাল আহমদ, জুবের আহমদ সার্জন, মমশাদ হোসাইন আসগরী, মাহমুদ হাসান, জেসির আরাফাত, মকসুদ আহমদ লাল, মো. উমর ফারুক, আদীল আনোয়ার, আব্দুল মুমিন, টি এ সুলেমান, মো. লিলু মিয়া, দিদার আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল। আসরের সেরালেখক মনোনীত হন টি এ সুলেমান। বিজ্ঞপ্তি






