সৈয়দ মুজতবা আলী আমাদের সাংস্কৃতিক জাগরণের এক আলোকবর্তিকা

17

সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা কথাসাহিত্যের এক শক্তিশালী নাম। তাঁর সরস বৈদগ্ধ্য বাংলা সাহিত্যে সংযোজন করেছে নতুন মাত্রা। আমাদের ভ্রমণসাহিত্যকে তিনি ঋদ্ধ করেছেন কিংবদন্তিতুল্য ‘দেশে-বিদেশে’সহ আরও নানা গ্রন্থের মধ্য দিয়ে। রম্যরচনা থেকে শুরু করে শিক্ষামূলক রচনা-সব ক্ষেত্রেই তিনি অনন্য। সৈয়দ মুজতবা আলী বাংলা সাহিত্যের এক স্বনামধন্য চরিত্র ছিলেন, যাঁকে আমাদের সাংস্কৃতিক জাগরণের এক আলোকবর্তিকা হিসেবে গণ্য করা হয়।
সৈয়দ মুজতবা আলীর ১২১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা ও কেমুসাসের ১২৪৭তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে আলোচনাকালে বক্তারা এসব কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর দরগাহ গেইটস্থ ঐতিহ্যবাহী সাহিত্য প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর কক্ষে সংসদের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক প্রভাষক-ছড়াকার কামরুল আলমের সভাপতিত্বে এবং ছড়াকার ও চিত্রশিল্পী কবির আশরাফের সঞ্চালনায় আসরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কেমুসাসের সাধারণ সম্পাদক গল্পকার সেলিম আউয়াল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক মোহাম্মদ আব্দুল হক। সৈয়দ মুজতবা আলীকে নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছড়াকার ও প্রাবন্ধিক ইউনুছ আলী। অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সুরমা মেইলের সাহিত্য সম্পাদক ভ্রমণকাহিনী লেখক মোয়াজ আফসার ও কবি মাহফুজ জোহা।
সাহিত্য আসরের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন হুসাইন হামিদ। আসরে লেখা পাঠে অংশনেন ও উপস্থিত ছিলেন এম. এ ওয়াহিদ চৌধুরী, এ বি এম হাসান চৌধুরী, তাসলিমা খানম বীথি, কামাল আহমদ, জুবের আহমদ সার্জন, মমশাদ হোসাইন আসগরী, মাহমুদ হাসান, জেসির আরাফাত, মকসুদ আহমদ লাল, মো. উমর ফারুক, আদীল আনোয়ার, আব্দুল মুমিন, টি এ সুলেমান, মো. লিলু মিয়া, দিদার আহমদ প্রমুখ। গান পরিবেশন করেন কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল। আসরের সেরালেখক মনোনীত হন টি এ সুলেমান। বিজ্ঞপ্তি