জাফলংয়ে ক্রাশার মেশিনে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নকরণে ফের অভিযান

10

কে.এম লিমন গোয়াইনঘাট

গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং পাথর কোয়ারি এলাকায় স্থাপিত স্টোন ক্রাশার মেশিনের (পাথর ভাঙার কল) বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান চালিয়েছে টাস্কফোর্সের প্রতিনিধি দল। প্রথম দিনের অভিযানের এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় দিনের মতো এ অভিযান চালানো হয়েছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিদ্যুৎ বিভাগ, পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি’র) সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বুধবার (২৫ জুন) দুপুর থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চালানো এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী।
এ সময় জাফলংয়ের ইকোলজিকাল ক্রিটিকাল এরিয়া (ইসিএ) সহ বল্লাঘাটের আইডিয়াল ও পানামা ক্রাশিং জোন এলকায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ৭৭ টি স্টোন ক্রাশার মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বৈদ্যুতিক মিটার জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে সহায়তা করেন, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোঃ কবির মিয়া, প্রকৌশলী (পিডিবি) সজল চাকলাদার, সংগ্রাম বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার শহিদুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রতন কুমার অধিকারী বলেন, ‘অবৈধ স্থাপনা ও পরিবেশবিধ্বংসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান চলমান থাকবে। কোনোভাবেই আইন অমান্যকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে, গত বুধবার (১৮ জুন) প্রথম বারের মতো জাফলংয়ের বিভিন্ন এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযান চালিয়ে ৬৭ টি ক্রাশার মেশিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে দুই দিনের অভিযানে শুধু জাফলং এলাকায় ১৪৪ টি ক্রাশার মেশিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ১৪ ই জুন জাফলং এলাকা পরিদর্শনে যান অন্তর্র্বতী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টারা পাথর উত্তোলন ও পরিবেশ বিনষ্টকারী কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরই আলোকে ক্রাশার মেশিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।