শহরতলীতে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অর্ধশত আহত

5

স্টাফ রিপোর্টার

শহরতলীতে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশত আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার থেকে ১২ পর্যন্ত দুই ঘন্টাব্যাপী দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। রাত ১২টার পর বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। খবর পেয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারও ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
আহতরা হলেন- জালালাবাদ থানার নয়াখুররমখুলা গ্রামের ঘোলাই মিয়ার ছেলে মোঃ ওয়ারিস (৫৫), একই এলাকার মৃত আলতু মিয়ার ছেলে তকদির ইসলাম (৩৫), নয়াখুররমখুলার মৃত আফরুজ আলীর ছেলে তসির আলী (৬০), নাজিরগাঁও গ্রামের মকবুল আলীর ছেলে সাহব আলী, নাজিরগাঁও গ্রামের মৃত জোবেদ আলীর ছেলে আতাউর (৫২), নাজিরেরগাঁও গ্রামের হানিফ আলীর ছেলে সামাদ, উত্তর বাগ, জালালাবাদ গ্রামের মনিরাম গরাইটের ছেলে দীপক গরাইট (২৪), নাজিরেরগাঁও গ্রামের মৃত মো. হামীম মিয়ার ছেলে মো. সুমন মিয়াকে (৩৫) গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা প্রত্যেকে হাসপাতালে পুলিশী পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের তেমুখী এলাকায় সদর উপজেলার নাজিরেরগাঁও ও মইয়ারচর গ্রামের দুই লোক চা’র দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এসময় মোবাইলে কথাকাটাকাটি নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে এক বৃদ্ধকে চড় থাপ্পড় মারা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজন মাইকিং ও মোবাইল ফোনে ডেকে সংঘর্ষে জড়ান। সংঘর্ষে গুরুতর আহত ৮ জনকে ওসমানী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়।
সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার রেজাউল করিম পিপিএম বলেন, ছোট একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজন মাইকে ডেকে ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আহŸান জানিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। এসময় উভয় পক্ষে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন- এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং ঘটনার জন্য দায়িদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।