স্টাফ রিপোর্টার
সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে সরগরম সরকারি দল আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে নিজেদের মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন শেষ করে এখন অনানুষ্ঠানিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেনা। তাই তাদের দলীয় কার্যক্রমও দেখা যাচ্ছেনা। কিন্তু তাহলে কি হবে, বর্তমান মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরী এখনো তার অবস্থান পরিস্কার করেননি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন কি না, বিষয়টি ঝাপসা রেখেছেন। তা পরিস্কার করতে করতে তার আরও প্রচুর সময় লাগবে। মানে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার অন্তিম মুহুর্তে তিনি জানাবেন নির্বাচন করবেন কি না। শুক্রবার জুম’আর নামাজ শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে আলাপকালে তিনি নিজে এ তথ্য জানিয়েছেন।
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সিসিক’র সবগুলো ওয়ার্ডের মুরব্বি ও সচেতন মানুষের মতামত নিয়ে আগামী ১৯ বা ২০ এপ্রিল রেজিস্ট্রারি মাঠে জনসভার আয়োজন করে তার সিদ্ধান্ত জানাবেন।
সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী শুক্রবার জুম’আর নামাজ আদায় করেন সিসিক’র ৪১নং ওয়ার্ডের কুচাই পশ্চিমভাগ জামে মসজিদে।
এসময় তিনি স্থানীয়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তারপর মুখোমুখী হন গণমাধ্যমকর্মীদের। তিনি সিসিক’র বর্ধিত এলাকাগুলোর জন্য কাজ করার খুব একটা সময় বা সুযোগ পাননি উল্লেখ করে বলেন, যেটুকু সময় পেয়েছি সে সময়ে বর্ধিত ওয়ার্ডগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেছি। এগুলোতে ড্রেনেজ সমস্যা ও রাস্তাঘাটের সমস্যা প্রচুর। এসব সমস্যা সমাধানে বরাদ্দ চেয়ে আমি সরকারের কাছে পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। সেগুলো অনুমোদন হয়ে যাবে বলে আশা করি।
সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে আরিফ বলেন, আমার দল বিএনপি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেনা। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি না, তা আগামী ১৯ বা ২০ মে রেজিস্টারি মাঠে জনসভা আয়োজন করে জানিয়ে দিবো। এখন আমি সচেতন ভোটার, শুভাকাংখীসহ মুরব্বিদের মতামত নিচ্ছি। সবার সাথে আলোচনা করে এবং পরিবেশ পর্যবেক্ষন শেষে আমি আমার সিদ্ধান্ত জানাবো। মেয়র আরিফ তার বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনসহ সরকারের এবং ইভিএম’র সমালোচনা করেন।
উল্লেখ্য, সিলেট সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৩ মে, বাছাই ২৫ মে, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ জুন ও ইভিএম-এ ভোটগ্রহণ ২১ জুন।







