স্টাফ রিপোর্টার :
নগরী, দক্ষিণ সুরমা ও শহরতলীতে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য, অনিয়ম ও বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১০টি ফার্মেসীসহ মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, র্যাব ও এপিবিএন পুলিশ। গত ৩ দিনে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে অনিয়মের দায়ে ২ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমায় সফিনা মার্কেটে বিভিন্ন ফার্মেসীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সিলেট ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১০টি ফার্মেসীকে মোট ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানকালে র্যাব-৯ এর একটি অভিযানিক দল সাথে ছিলো। এ সময় সন্ধ্যা ফার্মেসীকে ৩০ হাজার টাকা ও পাল ফার্মেসীকে ১০ হাজার টাকাসহ মোট ১০টি প্রতিষ্টানকে এ জরিমানা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিতি করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম মাসুদ।
এদিকে, গত রবিবার বিকেলে সিলেটে পৃথক অভিযানে ২ খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নগরীর বারুতখানা, জেলরোড ও শাহপরাণে এ অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট, র্যাব, এপিবিএন পুলিশ। শাহপরানে ২ খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে র্যাব-৯ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় বরিশাল ফুড ও তান্নি রেস্টুরেন্টকে ভোক্তা অধিকার আইনে মোট ২৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানাকৃত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে বলে র্যাব জানায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-৯ এর অপারেশন অফিসার এএসপি এ কে এম কামরুজ্জামান এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম।
অপরদিকে, গত শনিবার নগরীর বারুতখানা ও জেলরোডে ভেজাল বিরোধী ও বাজার নিয়ন্ত্রণের লক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভেজাল ও অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মেট্রো) শ্যামল পুরস্করস্থ। উপস্থিত ছিলেন, ৭ এপিবিএন সিলেটের উপ-পুলিশ পরিদর্শক (নি.) মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন প্রমুখ।








