টিলাগড় ও দক্ষিণ সুরমায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্র সহ নিহত ২

14

স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেটে পৃথক সড়ক দুঘর্টনায় এক ছাত্র ও গৃহবধূসহ ২ জন নিহত ও শিশুসহ ৫ জন অনন্ত: আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাতে টিলাগড়ে প্রাইভেট কার উল্টে নয়ন দাস নামে এমসি কলেজের এক ছাত্র ও ওইদিন রাত ৮ টার দিকে দক্ষিণ সুরমা এলাকায় এক গৃহবধূ নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
এদিকে গতকাল শনিবার দুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজের ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিবাদে এমসি কলেজের পেছনের ফটক সংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া অবরোধের কারণে সিলেট-তামাবিল সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে অবরোধ তুলে দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে টিলাগড় পয়েন্টের স্পিটব্রেকার ক্রসিংয়ের সময় বেপোরোয়াভাবে চালানো প্রাইভেট কারটি উল্টে যায়। এতে প্রাইভেট কারের ভেতরের থাকা চার বন্ধু আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা নয়নকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত ৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে এসএমপি শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনায় এমসি কলেজের ছাত্র নিহত হওয়ার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবী টিলাগড় থেকে বালুচর যাওয়ার রাস্তায় একটি ইন্সটিটিউটের সামনে গত কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে স্পিড ব্রেকার ও রোড ডিভাইডার বসানো হয়েছে। এর কারণেই দুর্ঘটনায় পড়ে নিহত হওয়া শিক্ষার্থীদের গাড়িটি। তবে অবরোধকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলা হয়েছে। এখন যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
অপরদিকে, গত শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের দক্ষিণ সুরমার জলকরকান্দি এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও লেগুনা সংঘর্ষে নাজিয়া আক্তার নাজু (৩০) নামে এক গৃহবধূ নিহত ও তার ২ সন্তান আহত হয়েছেন। নাজিয়া নাজু মৌলভীবাজারের জুড়ি উপজেলার জাঙ্গিরাই গ্রামের মোস্তফা কামালের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে সিলেট মেট্টোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন বলেন, দুই সন্তান নিয়ে কুলাউড়া থেকে স্বামীর বাড়িতে ফেরার পথে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জলকরকান্দি এলাকায় বিপরীতগামী একটি লেগুনা তাদের বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এত ঘটনাস্থলে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তার দুই সন্তান আহত হয়েছে। নাজুর বাবা তাজুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ রাতেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।