ওসমানীনগর থেকে সংবাদদাতা :
ওসমানীনগর থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। গত বুধবার রাতে থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে ১০০ জনের নাম উল্লেখ্য করে আরোও প্রায় ৯০০জন কে অজ্ঞাতনামা আসামী রেখে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং -৯। সংঘর্ষে ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ৪১ জন কেগ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই অটোরিক্সা চালক বলে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। বতর্মানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে গোয়ালা বাজার এলাকায় অটোরিক্সা গাড়ি চলাচলা এখনও স্বাভবিক হয়নি। ফলে যাত্রীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। গ্রেফতার আতঙ্কে উপজেলার পূর্ব ব্রাহ্মণ গ্রাম, পশ্চিম ব্রাহ্মণ গ্রাম ও নিজকরনি গ্রামসহ আশাপাশ এলাকায় একাধিক গ্রামের পুরুষরা পালিয়ে বেরাচ্ছেন।
এদিকে, গত বুধবার বাদ এশা ওসি মোস্তাফিজুর রহমানের প্রথম জানাযার নামাজ সিলেট পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত হয়ে। ওই রাত ৯টায় তাঁর কর্মস্থল ওসমানীনগর থানা প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযার নামাজ শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওসির স্ত্রী ও দুই মেয়ে। রাতেই তার লাশ কুমিল্লা জেলার সদর থানার মোগলটুলির পাথারিয়া গ্রামের নিয়ে যাওয়া হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ যোহর তৃতীয় জানাযার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবর স্থান দাফন করা হয়। এ সময় সিলেট সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য ইয়াইয়াহ চৌধুরী এহিয়া উপস্থিত ছিলেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) অকিল উদ্দিন মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আসামী গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার গোয়ালাবাজারে অটোরিক্সা শ্রমিকদের সংঘর্ষে আহত হয়ে অসুস্থ হন ওসমানীনগর থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান (৪৬)। পরবর্তীতে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে বিকাল চারটার দিকে তিনি মারা যান।








