এবার আদালতে ধর্ষক রনি, রাজন ও আইনুদ্দিনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান

25

স্টাফ রিপোর্টার :
সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাস প্রাঙ্গণে গাড়ির ভেতর পালাক্রমে গণধর্ষণের দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত আরো ৩ আসামি আদালতে ফৌজধারী কার্য্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। গতকাল শনিবার বেলা ২ টা থেকে রাত সাড়ে ৭ টা পর্যন্ত পৃথক আদালতে রনি, রাজন ও আইনুদ্দিন আদালতে এই জবানবন্দি প্রদান করে।
এর মধ্যে আসামী রাজনের জবানবন্দী রেকর্ড করেন অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম-১) আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো: জিয়াদুর রহমান আর আসামী রনির জবানবন্দী রেকর্ড করেন সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সাইফুর রহমান এবং অপর আসামী আইনুদ্দিনের জবানবন্দী রেকর্ড করেন সিলেটে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শারমিন খানম নিলা।
এর আগে গতকাল দুপুরে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে দিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য্য রাজন ৫দিনের রিমান্ড শেষে আসামি রনি, রাজন ও আইনুদ্দিনকে পৃথক আদালতে হাজির করেন।
আদালতে জবানবন্দী প্রদানকারী ৩ আসামীরা হচ্ছে, মামলার ৩ নম্বর আসামী হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার পুত্র বর্তমানে এমসি কলেজ হোস্টেল ৭নং ব্লকের ২০৫ নং রুমের বাসিন্দা শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), সন্ধিগ্ধ আসামী শাহপরান থানার শিবগঞ্জ এলাকার মৃত সোনা মিয়ার পুত্র মো: আইনুদ্দিন (২৬) ও মামলার সন্ধিগ্ধ আসামী বিয়ানীবাজার থানার নাটেরশর গ্রামের মৃত ফয়েজউল ইসলামের পুত্র রাজন মিয়া (২৫)। জবানবন্দী শেষে আসামীদের আদালতের নির্দেশে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে গতকাল রাতে পুলিশ সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করে। এর আগে শুক্রবার ২ অক্টোবর সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর ও রবিউল একইভাবে আদালতে ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করে। রিমান্ডে থাকা মামলার অপর ২ নম্বর আসামী তারেকুল ইসলাম উরফে তারেক (২৮) ও ৬ নং আসামী মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫) কে আজ রবিবার আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করলেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী। তিনি বলেন, ৫ দিনের রিমান্ড শেষে পুলিশ উল্লেখিত ৩ আসামীকে পৃথক আদালতে হাজির করে। এরপর আসামীরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে আদালত ১৬৪ ধারায় ৩ আসামীর জবাববন্দি লিপিবদ্ধ করেন।