নগরী ও শহরতলীতে দ্বিতীয় দফায় কাল বৈশাখী ঝড়ের তান্ডব

স্টাফ রিপোর্টার :
নগরী ও শহরতলীতে গতকাল শুক্রবার বিকালেও দ্বিতীয় দফায় কাল বৈশাখীর আগাম ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডব শুরু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে অনেক স্থানে ঘর-বাড়ির টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে যায়। অনেক স্থানে গাছ-পালা উপড়ে পড়ে। ঘূর্ণিঝড়ের পর নগরী ও শহরতলীর বেশীরভাগ স্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
শুক্রবার সকালে সিলেটে অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলেও বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে আবহাওয়া প্রতিকূল হতে থাকে। এ সময় শুরু হয় দমকা হাওয়া। সাথে বৃষ্টিও। দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজারসহ অনেক স্থানে গাছ-পালা রাস্তায় উপড়ে পড়েছে। এ কারণে ওই রাস্তায় যান চলাচল সাময়িক ব্যাহত হয়। বিকেল সাড়ে ৪ টার কাল বৈশাখী ঝড়ে তান্ডবে মোগলাবাজারে গাছ পরে ৩টি দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্বানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টা থেকে প্রবল বেগে বাতাস শুরু হলে মোগলাবাজার ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনের একটি রেইনট্রি গাছ প¦ার্শবর্তী তিনটি দোকানের উপর আছড়ে পরে। এ সময় কেউ আহত না হলেও দোকানগুলোতে থাকা মালামাল পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গাছ সরিয়ে দোকানে উদ্ধার অভিযান চালায়।
এ ব্যাপারে সিলেট আবহাওয়া অফিসের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৯ মিনিটে আরেক দফা ঘূর্ণিঝড় হয়। ঘূর্ণিঝড়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে সাইনবোর্ড ও ব্যানার উপড়ে পড়ে। অনেক বস্তি এলাকায় ঘরের চাল উড়ে যায়। প্রচন্ড বাতাসের কারণে অনেক বাসাবাড়ি ও রাস্তাঘাটের উপর গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে এবং বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে। ঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়া থাকায় পথচারীরা পড়েন বেকায়দায়। ঝড় শুরু হবার সাথে সাথে শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবারের ঘূর্ণিঝড়ের পর নগরীর বিদ্যৎ সংযোগ কয়েক ঘন্টার জন্য বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও রাত ১টার পর বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হতে থাকে বলে বিউবো’র একটি সূত্র জানিয়েছে।