ছাতক প্রতিনিধি
ছাতকে শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্নিঝড়ে শতাধিক ঘরবাড়ী, দোকান লন্ডভন্ড হয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে ও গ্রামে গাছ ভেঙে পড়েছে। শনিবার রাত ১২টার দিকে শিলাবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়।
জানা যায়, শনিবার রাতে ছাতক উপজেলার ওপর দিয়ে হঠাৎ বয়ে যাওয়া ঝড় ও ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে যায় শতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানঘর। এসময় অনেক মানুষজন ঘুমিয়ে ছিলেন। অনেক মানুষজন কোনোমতে পরিবার নিয়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন। আবার অনেকের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বৃষ্টির পানিতে ভিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে ঘর-দোয়ার হারিয়ে অসহায় হয়েছেন অনেক। উপজেলার খুরমা দক্ষিণ ইউনিয়নের হলদিউরা, চৌকা, চরমহল্লা ইউপির জলালীচর, আশারুচর, সোনারুচর কাইল্লারচর, ভাতগাঁও ইউপির ভাতগাঁও, সাঙ্গেরগাঁও, শক্তিরগাও, সিংচাপইড় ইউপির আসামপুর, কালিপুর, দোলারবাজার ইউপির আলমপুর, জাহিদপুর, নসন্তপুর, নরসিংপুর, ছৈলা আফজলাবাদ ইউপির পলিরগাঁও, বাগইন, জগন্নাথপুর কালারুকা ইউপির জামুরাইল, মাধবপুর, রামপুর ছাতক সদর ইউপির বাউসা, রংমঙ্গল, ইসলামপুর ইউপির গনেশপুর, চরেরবন্দ গ্রামের অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে।
হলদিউরা গ্রামের আনামুল হক বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে আমার ঘর লন্ডভন্ড ও তছনছ হয়ে গেছে।
ঝড়ের তাÐবে আমার সাজানো সংসার ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে তৈরি করা ঘরটি ঝড়ের কবলে পড়ে ভেঙে গেছে। সন্তানদের নিয়ে এখন কোনো রকম বেঁচে আছি।
খুরমা উত্তরের আমেরতল বাজারের ১০-১২টি দোকান ঘরের চাল উড়িয়ে নিলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান শিপলু।
কৃষক নুর উদ্দিন বলেন, ঝড়ের তাÐবে আমার ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। আমার ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। অতিরিক্ত শিলাবৃষ্টির কারনে আমার খিরা ও সবজি ক্ষেতের ২/৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।






