সিন্টু রঞ্জন চন্দ
১৪ বছর পর সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৭ম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদÐ (ফাঁসি) দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত তাদের ১ লাখ টাকা করে অর্থদÐ প্রদান করেছেন, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রমে কারাদÐ করা হয়। গতকাল বুধবার দুপুরে সিলেটের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম রুবাইয়া ইয়াসমিন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদÐপ্রাপ্তরা হলেন- বিশ্বনাথ উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের মো. আশিক আলীর ছেলে মো. জয়নাল (২৫) ও একই উপজেলার কাদিরগাঁও গ্রামের মো. মইনউদ্দিনের ছেলে নাজিম উদ্দিন (২০)। রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদÐপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৭ নভেম্বর বিশ্বনাথ উপজেলার কাইরঘাট গ্রামের স্কুলছাত্রী (১৪) নিজ বাড়ি থেকে তার নানা বাড়ি যায়। ওই দিন বিকেল তিনটায় নানাবাড়ির আত্মীয় জয়নাল তাকে ডেকে তার বসতঘরে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে নাজিম উদ্দিন অবস্থান করে। পরে তারা দুজন মিলে ওই স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে স্কুলছাত্রী ঘটনা তার মাকে জানালে ভিকটিমকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানায় ভিকটিমের বাবা বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা (নং২, তাং ০১/১২/২০১২) দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে বিশ্বনাথ থানার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত রুপক কুমার সাহা ২০১৩ সালে মামলার চার্জশিট দাখিল করেন। পরে দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ মামলার রায় প্রদান করা হয়।
এ মামলায় মোট ১১ জনের সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি অ্যাডভোকেট নুর আহমদ ও আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন দেলওয়ার হোসেন দিলু।






