দরগাহ গেইটে জমজম হোটেল থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ॥ হোটেল ম্যানেজার আটক ॥ কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই উধাও

16

স্টাফ রিপোর্টার :
নগরীর দরগাহ গেইট এলাকার জমজম আবাসিক হোটেল থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম মোর্শেদ আহমদ (৪৮)। তিনি ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার বাঞ্জারামপুর থানা এলাকার মাকু মিয়ার পুত্র। সোমবার ২৯ নভেম্বর বিকেল ৩টায় শাহজালাল (র.) মাজার তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ হোটেলের একটি কক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে। এদিকে তার সাথে হোটেলে রুম ভাড়া নেয়া কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই লাপাত্তা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাত ১১টার দিকে মোর্শেদ আহমদ (৪৮), তার সাথে স্ত্রী পরিচয়ে সাথী আক্তার (৩০) ও ছোট ভাই পরিচয় দানকারী বাবু মিয়া (২৯) জমজম হোটেলের ৩য় তলার একটি ডাবল ও একটি সিঙ্গেল রুম ভাড়া নেন। তারা শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত করার উদ্দেশে সিলেটে এসেছেন বলে হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান। সোমবার সকাল ১১টার দিকে এক হোটেল কর্মচারী নিয়মিত রুম সার্ভিসে ৩য় তলায় গিয়ে দেখতে পান, ডাবল রুমের খাটের উপর মোর্শেদের নিথর দেহ পড়ে আছে। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দিলে শাহজালাল (রাহ.) তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আবু সাঈদের নেতৃত্বে সোমবার বিকেল ৩টার দিকে একদল পুলিশ গিয়ে মোর্শেদের লাশ উদ্ধার করে।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে মোর্শেদের কথিত স্ত্রী ও ছোট ভাই লাপাত্তা রয়েছে। এ ঘটনায় জমজম হোটেলের ম্যানেজার জাকির হোসেনকে সোমবার সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মৃত্যুর খবর শুনে মৃতের স্ত্রী কোতোয়ালী থানায় এসেছেন। তিনি এ ঘটনায় একটি অভিযোগ থানায় দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে যৌন উত্তেজক ঔষুধ সেবনের কারণে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু ঘটেছে। স্ত্রী ও ছোট ভাই পরিচয়ে হোটেলে অবস্থানকারীদের খুঁজছে পুলিশ। তাদেরকে ধরতে পারলে বিস্তারিত জানা যাবে।