সিলেটে শতবর্ষী নাট্যমঞ্চে নাট্যোৎসব কর্মসূচির শুভ সূচনা

24

ঐতিহ্যবাহী বাংলানাট্যের যাত্রা আরম্ভ হয় হাজার বছর আগে। দু’শ বছরের অধিক সময় পূর্বে এদেশে প্রসেনিয়াম থিয়েটারের চর্চা শুরু হয়। ঢাকা শহরে দর্শনীর বিনিময়ে নাট্যচর্চা আরম্ভ হয় উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংস্কৃতিবান মানুষের অংশগ্রহণ ও অর্থানুকূল্যে নাট্যমঞ্চ নির্মাণ শুরু হয়। দেশের অনেক নাট্যমঞ্চ আজ গৌরবময় শতবর্ষ অতিক্রম করেছে। নাট্যচর্চার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে এসব মঞ্চ বিরাট ভূমিকা পালন করছে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থিত ৩৫টি শতবর্ষী নাট্যমঞ্চে আবারও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশের শতবর্ষী নাট্যমঞ্চে নাট্য-উৎসব ২০১৯’ কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে সিলেটে জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ১৩ মার্চ বিকাল ৫:৩০টায় সারদা স্মৃতি ভবন সংলগ্ন (ক্ষীরোদ মেমোরিয়াল স্টেজ) কীন ব্রীজ চত্ত্বরে ‘বাংলাদেশের শতবর্ষী নাট্যমঞ্চে নাট্যোৎসব ২০১৯’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী পর্বে জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্তের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আসলাম উদ্দিন। আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নাট্যব্যক্তিত্ব ভবতোষ রায় বর্মণ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সিলেটের সাধারণ সম্পাদক গৌতম চক্রবর্ত্তী। আবু বকর মো. আল আমিনের সঞ্চালনায় আলোচনা পর্ব শেষে থিয়েটার মুরারিচাঁদ ‘লেবার লাইন হল্ট’; থিয়েটার সিলেট ‘আদিম পৃথিবীর আহ্বান’; জেলা শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরী নাট্যদল ‘ঘরের শত্রু’ এবং থিয়েটার একদল ফিনিক্স ‘শিকল’ নাট্য প্রযোজনাসমূহ পরিবেশন করেন। আজ (১৪ মার্চ) সকাল ১১টায় মণিপুরী রাজবাড়ী নাট মন্দির এবং বিকাল ৫:০০টায় মালনীছড়া চা বাগান নাট মন্দিরে উক্ত কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। এছাড়াও আগামী ২৮ মার্চ বিকার ৫টায় বন্দর বাজারস্থ ব্রহ্ম মন্দিরে উক্ত আয়োজনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে। এতে সকলের উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেছেন জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশ গুপ্ত। বিজ্ঞপ্তি