কানাইঘাট থেকে সংবাদদাতা :
কানাইঘাট উপজেলা খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাতবাক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাওঃ ছাব্বির আহমদ কে গ্রেফতার করেছে কানাইঘাট থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে ছাব্বির আহমদ থানায় একটি কাজে আসলে পুলিশ তাকে সেখান থেকে আটক করে বলে মজলিসের নেতা কর্মীরা জানিয়েছেন। গ্রেফতারকৃত ইউপি সদস্য ছাব্বির আহমদ কে ২ মাস পূর্বে দায়ের কৃত থানার বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামী দেখিয়ে গতকাল বুধবার দুপুরের দিকে পুলিশে সিলেটের আদালতে সোর্পদ করে। থানার সেকেন্ড অফিসার স্বপন চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, নাশকতা মূলক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার দায়ে ছাব্বির আহমদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে সিলেট-৫ আসনের ২৩ দলীয় জোটের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সমর্থীত প্রার্থী মাওঃ ওবায়দুল্লাহ ফারুক তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছাব্বির আহমদকে কোনা ধরণের মামলা ছাড়াই গ্রেফতারের ঘটনায় গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিএনপি সহ ঐক্য ফন্টের শতাধিক নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রথমে থানায় যান এবং ছাব্বির আহমদকে গ্রেফতারের কারণ জানতে চান। এ সময় থানার ওসি মোঃ আব্দুল আহাদ ও ওসি (তদন্ত) মোঃ নুনু মিয়া প্রশাসনিক কাজে সিলেটে থাকায় তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেননি ধানের শীষের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ ফারুক। পরে তিনি নেতা কর্মীদের নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং অফিসার তানিয়া সুলতানার সাথে তার কার্যালয়ে গিয়ে ধানের শীষের নেতা কর্মী ও সর্মথকদের কোন ধরণের মামলা ছাড়াই গ্রেফতার হয়রানী করা হচ্ছে, পোষ্টার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে দাবী করে ইউপি সদস্য ছাব্বিরের গ্রেফতারের বিষয়টি তুলে ধরেন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার তানিয়া সুলতানা অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে ধানের শীষের প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ ফারুককে আশ^স্ত করেন। এদিকে নেতা কর্মীদের পুলিশি হয়রানী বন্ধ এবং নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী প্রিসাইডিং, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পুলিংদের তালিকা প্রকাশ এবং দলীয় নেতা কর্মীদের গ্রেফতার হয়রানী ও বাসাবাড়ীতে তল্লাশী বন্ধ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা ও সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে জেলা রির্টানিং অফিসার ও সিলেটের পুলিশ সুপার এবং কানাইঘাট সহকারী রির্টানিং অফিসার বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক জানিয়েছেন।





