কাজির বাজার ডেস্ক
দেশে রেলপথে গত ১৫ বছরে ছোট-বড় মিলিয়ে এক হাজার ৩৩৪টি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম। তিনি জানান, এর মধ্যে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে এক হাজার ৫১টি এবং পশ্চিমাঞ্চলে ২৮৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি জানান, রেললাইন, পয়েন্টস অ্যান্ড ক্রসিংয়ের ত্রæটির কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বগি লাইনচ্যুত হয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া চাকার শার্প ফ্ল্যাঞ্জ, গেজের অসামঞ্জস্যতা এবং প্রাকৃতিক কারণে রেললাইন বেঁকে যাওয়া বা দেবে যাওয়ার কারণেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে রেললাইন রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন রেললাইন নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।
পাশাপাশি দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা বিভাগের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেল এমআরটি-৬ প্রকল্পে অনিয়ম বা দুর্নীতির কোনো অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, এমআরটি-৬ প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তিনবার সংশোধন করা হয়েছে।
প্রথমে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি ৭ লাখ টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে তা বেড়ে হয় ৩৩ হাজার ৪৭১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। পরে তৃতীয় সংশোধনীতে ব্যয় পুনর্র্নিধারণ করে ৩২ হাজার ৭১৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী জানান, ২০১১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে ৬৬টি ব্রডগেজ ও ৪১টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ, ৩২০টি ব্রডগেজ এবং ৪৮২টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী কোচ যুক্ত করা হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ৭৭০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
কুমিল্লা-১০ আসনের এক সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জানান, মহাসড়কে সেচ ইঞ্জিনচালিত অবৈধ যানবাহন জব্দ করে ডাম্পিং স্টেশনে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।





