বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন পরিদর্শনে প্রেস কাউন্সিলরের চেয়ারম্যান

5

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি

সাবেক বিচারপতি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলরের চেয়ারম্যান এ কে এম আব্দুল হাকিম বন্যপ্রাণী বাংলাদেশ সেবা ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন। (২৭ ফেব্রæয়ারী) বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার রুপুসপুর এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেন।
বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সীতেশ রঞ্জন দেব ও পরিচালক সজল দেব ঘুরে দেখান এবং এর বিভিন্ন বন্যপ্রাণী দেখে অভিভ‚ত হন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল ভ‚মি অফিসের সহকারী কমিশনার(ভ‚মি) মো.ইউসুফসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বন্যপ্রাণী ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন দিনে বন বিভাগ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বন্যপ্রাণীগুলোকে বনে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের এক পরিস্যাংখানে জানা গেলো ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সালের মে পর্যন্ত ৪৫৬টি বন্য প্রাণী অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দেড় বছরে ছাড়া হয়েছে ৮০টি প্রাণী। ২০১১ সালে বন্য প্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখন পর্যন্ত এই ফাউন্ডেশন থেকে ৮০টি অজগর, ২৮টি লজ্জাবতী বানর, ৩৭টি গন্ধগোকুল, ৩১টি মেছো বিড়াল, ২১টি বানর, ১৫টি তক্ষক, ৫টি সোনালি বিড়াল, ৩২টি বন বিড়াল, ১টি হিমালয়ান পাম সিভেট, ২টি কালনাগিন সাপ, ১টি হনুমান, ১টি বনরুই, ৩টি গুইসাপ, ৩টি বন্য শূকর, ৫টি উড়ন্ত কাঠবিড়ালি, ১টি লেজহীন চিকা, ১টি বোম্বে টিনকেট, ১টি ধনেশ পাখি, ৩টি কাছিম, ১৩টি প্যাঁচা, ১০টি সবুজ বোড়া সাপ, ৭টি শঙ্খিনী সাপ, ৬টি ফণীমনসা সাপ, ১৩৪টি বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, ১টি শিয়াল, ১টি পদ্মগোখরা সাপ, ১টি হিমালয়ান ঢোড়া সাপ, ১টি দুধরাজ সাপ, ১টি দাঁড়াশ সাপ, ৩টি পিট ভাইপার সাপ, ১টি বাজপাখি, ২টি খইয়া গোখরা সাপ, ১টি সবুজ ফণীমনসা সাপ, ১টি কোবরা (কালা খরিস) সাপ, ১টি বিরল লালডোর সাপ এবং ১টি আইড ক্যাট বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশনটির পরিচালক সজল দেব বলেন, আহত বন্য প্রাণীকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে বনে অবমুক্ত করা হয়। এখানে জন্ম নেওয়া প্রাণীগুলো এককভাবে জীবনযাপনে সক্ষম হলেই বনে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে বনে ছাড়ার পরও খাদ্য ও বাসস্থানের সংকটে অনেক প্রাণী আবার বনের বাইরে এসে ধরা পড়ে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই সচেতনতা বেশি। তারা ফাউন্ডেশনে ঘুরতে এসে প্রাণীদের সম্পর্কে জানে।