স্টাফ রিপোর্টার
“বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই ¯েøাগান নিয়ে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভ‚মিকা পালন করে আসছে। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) অপরাধ দমনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে জনসাধারণের পাশে থেকে বিভিন্ন সেবামূলক কাজের মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের আস্তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা জোরদার করে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাবের এই কার্যক্রম দেশের সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে।
সার্বিক নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার অংশ হিসেবে র্যাব-৯ এর আওতাধীন এলাকা সিলেটসহ সিলেট বিভাগের অন্যান্য জেলা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে র্যাব-৯ এর পর্যাপ্ত টহল মোতায়েন রাখা হয়েছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় এবং যে কোন ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে অত্র ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ পাঁচটি জেলায় (সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া) নিয়মিতভাবে রোবাষ্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছেছ। মাদক, অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য ইত্যাদি পরিবহন রোধে র্যাব-৯ এর আওতাধীন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ধারাবাহিকভাবে চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছেছ। পাশাপাশি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ যেন কোনো গুজব ছড়াতে না পারে এবং যেকোন ধরনের সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য র্যাব-৯ এর “সাইবার মনিটরিং সেল” সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। এছাড়াও বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন, চরমপন্থি বা স¦ার্থান্বেষী মহল এবং সন্ত্রাসীরা যেন কোন ধরনের নাশকতা ও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য র্যাব-৯ এর বিশেষ টহল এবং চেকপোস্ট কার্যক্রমের পাশাপাশি সাদা পোষাকে র্যাব সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সতর্কতার সাথে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যে কোন প্রয়োজন মোকাবেলায় র্যাব-৯ এর পর্যাপ্ত সংখ্যক রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। র্যাব-৯ কর্তৃক উক্ত নিরাপত্তা জোরদারকরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এছাড়াও যে কোন সহিংসতা বা নাশকতার বিরুদ্ধে র্যাব কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর।