আল-হেলাল সুনামগঞ্জ থেকে :
সুনামগঞ্জের হাওরে গিয়ে ধান কাটা উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। এ সময় তিনি দ্রুত ধান জন্য উৎসাহ দেন কৃষকদেরকে। “কাটলে হাওরের ধান, মিলবে সরকারি ত্রাণ” ও ” নিরাপদে কাটবো ধান, দেশে দিব খাদ্য যোগান” শ্লোগানকে সামনে রেখে নতুন বছরের প্রথম দিনে হাওরে কৃষকদের সাথে বোরো ধান কাটলেন জেলা প্রশাসক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। পহেলা বৈশাখ ১৪২৭ সালকে সামনে রেখে তিনি বলেন, সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন হাওরে এ বছর বিপুল পরিমাণে বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে। এই বোরো ধান শুধু সুনামগঞ্জের নয় বরং সারা দেশের খাদ্য শস্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। চলমান করোনা ভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা রয়েছে। তদুপরি সুনামগঞ্জসহ দেশব্যাপী হাওরের ধান আহরণের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। করোনা ভারইরাস জনিত কারণে নিরাপদ দূরত্বে থেকে পহেলা বৈশাখ ১৪২৭ পালিত হলেও সুনামগঞ্জের হাওর সমূহে নিরাপত্তা বজায় রেখে ধান কাটার কাজ পুরোদমে চালু হয়েছে। কৃষকদের মাঝে সচেতনতা তৈরি এবং উৎসাহ ও উদ্দীপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ জেলার সুনামগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে গিয়ে কৃষকদের সাথে ধান কাটায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময়ে তার সাথে ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সফর উদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা, সহকারী কমিশনার হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং জহিরুল আলম। এছাড়া সুনামগঞ্জের সকল উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ নিজ নিজ অধিক্ষেত্রের কৃষকদের মাঝে উপস্থিত হয়ে ধানকাটা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময়ে ধান কাটায় নিয়োজি কৃষক শ্রমিকদেরকে একটি করে হাত ধোয়ার সাবান এবং এক প্যাকেট করে পুষ্টিকর বি¯ু‹ট প্রদান করা হয়। কৃষকগণ জানান এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং তারা ন্যায্য মূল্যে ধান বিক্রয়ের বিষয়ে আশা ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য কৃষি শ্রমিকদের প্রনোদনা হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে দশ হাজার পিচ সাবান ও দশ হাজার প্যাকেট বিস্কুট বিতরণ করা হবে। এছাড়া কৃষকদের মধ্যে প্রয়োজন মাফিক মাস্কও বিতরণ করা হচ্ছে।





