
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আলহাজ¦ এম.এ হক বলেছেন, যতদিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, এর ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে থাকবেই। অবৈধ সরকার বিপ্লবের চেতনাকে ভয় পায়, তাই তারা ৭ নভেম্বরের বিপ্লবের মহানায়ক মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিনী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফরমায়েসী সাজা দিয়ে কারাগারে আটকে রেখেছে। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভোট চুরি করে ক্ষমতা দখল করেছে। অথচ বিপ্লব এদেশের মানুষের শিরায় শিরায় বহমান। আর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশ-জাতি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের শত্র“। তাই যতই জুলুম-নিপীড়ন চালানো হোক না কেনো, বিপ্লবীদের দমিয়ে রাখার সাধ্য কারো নেই। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদারের সভাপতিত্বে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ১নং সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের পরিচালনায় নগরীর দরগাগেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহীদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের সকল পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি আলহাজ¦ শফি আহমদ চৌধুরী।
সভায় বক্তব্য রাখেন, সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এডভোকেট আব্দুল গাফফার, আশিক উদ্দিন চৌধুরী, আলী আহমদ, অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, ফখরুল ইসলাম ফারুক, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, সিদ্দিকুর রহমান পাপলু, আব্দুল আহাদ খান জামাল, আবুল কাশেম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সালেহা কবির শেপি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ ইকবাল নেহাল, জেলা যুবদল নেতা আক্তার আহমদ, সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ ও জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন প্রমুখ।
এদিকে সিলেট মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে। দীর্ঘ ৬ বছরের শাসনামলে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সংবাদপত্রের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত, দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে মুক্ত, দেশকে স্বাবলম্বী ও জাতিকে মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু সা¤্রাজ্যবাদী আগ্রাসী শক্তি বার বার গণতন্ত্রকে ধূলিসাৎ করতে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান তাঁবেদার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতীয়দের সকল খায়েশ পূরণে ব্যস্ত রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকার আদর্শিক মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে ষড়যন্ত্রমুলক মামলার ফরমায়েসী রায়ে গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ফরমায়েসী সাজা ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু কোন ষড়যন্ত্রই জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। বিপ্লবের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে বিএনপি ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করবেই।
গতকাল বৃহস্পতিবার ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সিলেট মহানগর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন। সিলেট মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকীর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম সিদ্দিকীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মহানগর বিএনপি, ২৭টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। নগরীর দরগাগেইট আলিয়া মাদরাসা মাঠ সংলগ্ন একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মহানগর বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা: আশরাফ আলী।
সভায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির শাহীন, কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, জিয়াউল হক জিয়া, ডা: নাজমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল আহমদ মোর্শেদ, মাহবুব চৌধুরী, দফতর সম্পাদক সৈয়দ রেজাউল করিম আলো, প্রচার সম্পাদক শামীম মজুমদার, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নিগার সুলতানা ডেইজী, মহানগর বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান চৌধুরী, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব নেওয়াজ বখত তারেক, যুবদল নেতা তফাজ্জুুল হোসেন বেলাল ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব¦ী আহসান, বিএনপি নেতা এম মখলিছ খান, জিয়াউর রহমান দীপন, আলী হায়দার মজনু ও আব্দুস সবুর। বিজ্ঞপ্তি





