সিলেটের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিদুল ইসলাম বলেছেন, সরকার ১৬ কোটি মানুষকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পন্ন করতে চায়। এরই ফলশ্রুতিতে মৎস্য অধিদপ্তরসহ প্রতিটি বিভাগ একাগ্রতার সহিত কাজ করে যাচ্ছে। আমরা যখন সাড়ে ৭ কোটি মানুষ ছিলাম তখনও তখন ঠিকমত খেতে পারছিলাম না। আজ আমরা খাদ্য রপ্তানী

করছি। মাছ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের ৪ চতুর্থ স্থানে রয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের ১কোটি ২০ লাখ মানুষ দেশের বাহিরে, তারাও দেশীয় মাছ খাছে। মাছ উৎপাদন ও সংরক্ষণে মৎস্য জীবীদের অবদান খুবই গুরুত্ব পূর্ণ। সকল যৌক্তিক সকল দাবী সরকার পূরণ করবে। আমিষের চাহিদা সকলের রয়েছে। সে দিকঠি বিবেচনা করে মৎস্য ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া প্রজাতির মাছ গুলোকে অভয় আশ্রমের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলেই আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম মাছের চাহিদার অভাব হবে না।
১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ এর উদ্বোধন উপলক্ষে সিলেট মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত কালেক্টরেট ভবন থেকে বর্ণাঢ্য র্যালী শেষে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন তিনি।
‘মাছ চাষে গড়বো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ -এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, সিলেটের জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, বিভাগীয় মৎস্য উপ-পরিচালক সুলতান আহমদ, সিলেটের পুলিশ সুপার সিলেট রেঞ্জ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম, উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসলাম উদ্দিন। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন সিলেট সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দ্বিজরাজ বর্মণ।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, সমাজসেবী জামিল চৌধুরী, এফআইভিডিবি সূচনা প্রকল্পের প্রতিনিধি আলী রেজা, জাফলং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রোটারিয়ান এম এ রহিম, জকিগঞ্জ আজাদ এগ্রফার্মের মালিক মহবুব আহমদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী মৎস্য জীবী লীগের সাধারণ সম্পদক মৃদুল কান্তি ঘোষ, মৎস্য জীবী অধিকার বাস্তবায়ন সমিতির সভাপতি ইমতিয়াজ রহমান ইনু, জাতীয় মৎস্য জীবী সমবায় সমিতির সভাপতি সুষেন্দ্র চন্দ্র নম। বিজ্ঞপ্তি






