গোলাপগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা :
গোলাপগঞ্জে মুন্নি বেগম (১৯) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক আত্মহত্যা ঘটেছে। সে উপজেলার উত্তর বাদেপাশা ইউপির আমকোনা মোকামবাড়ীর আখলাছ আলীর ছোট কন্যা। বাদেপাশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টায় নিহত মুন্নির রুমে ফ্যানের সাথে ওরনা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন,ওই নিহতের মা অন্য রুমে ও বাবা আখলাছ বাহিরে ছিলেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় মুন্নির রুমের দরজা বন্ধ দেখে তার মায়ের সন্দেহ হয়। পরে দরজা বেঙ্গে দেখা যায় সে ফ্যানের সাথে ঝুলে রয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। নিহত মুন্নি চার ভাইবোনের মধ্যে সকলের ছোট ছিল। বড় ভাই হারুনুর রশিদ (৩৫) দোবাই প্রবাসী ও মেজো ভাই জুবেল আহমদ (২৮) লন্ডন প্রবাসী। ওই ইউনিয়নের বাণীগাজি গ্রামে বড় বোন শেফালি (৩৮) এর বিয়ে হয় প্রায় ১৮বছর পূর্বে। মুন্নি মা বাবার সাথে একাই বাড়ীতে থাকত। নিহত মুন্নি ২০১৫ সালে ওই ইউনিয়নের আছিরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এসএসসি পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ করে পড়া ছেড়ে দেয়। এরপর থেকে থেকে তার চলাফেরা ছিল এলোমেলো। নাম প্রকাশ না করা শর্তে স্থানীয় অনেকে বলেন,মুন্নির মৃত্যু নিয়ে আমাদের সন্দেহ রয়েছে। পুলিশও ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের চেষ্টা করছে। এব্যাপারে ফাঁড়ির ইনচার্জ তরিকুল ইসলামের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, মেয়েটি মানষিক রোগী ছিল। সে আত্মহত্যা করেছে সেটা আমাদের প্রাথমিক ধারণা। তবে লাশ ডিসির ছাড়পত্র নিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।








