কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে অফিসের যাবতীয় কাগজপত্র মালামাল ও আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে ভস্মীভ‚ত হয়ে যায়। ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ দিলোয়ার হোসেন তালুকদার বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ৩১ ডিসেম্বর বিকেলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীগণ প্রতিদিনের ন্যায় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষসহ সকল শ্রেণী কক্ষ তালাবদ্ধ করে বাড়ীতে চলে যাই। পরদিন ১ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় বিদ্যালয়ের আয়া প্রতিদিনের ন্যায় বিদ্যালয়ের তালা খুলতে যেয়ে বিদ্যালয়টি অফিস কক্ষ থেকে ধোয়া বের হচ্ছে দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাকেসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদেরকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দিলে আমরা এসে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের দরজার সিটকিনী কাটা অবস্থায় দেখতে পাই। তখন আমরা এবং বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা কমিটির লোকজন অফিস কক্ষে প্রবেশ করে অফিস কক্ষে থাকা সকল মালামাল আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে দেখতে পাই। এই অবস্থায় আমি সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে মোবাইল ফোনে সংবাদ দেই। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন ৩১ ডিসেম্বর বিকাল ৪.১৫ মিনিটের পর থেকে পরদিন সকাল ৯ টার মধ্যবর্তী যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পরস্পরের সহায়তায় ভোলাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের দরজার সিটকিনী বেøড দিয়ে কেটে অফিস কক্ষে প্রবেশ করে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের সভাপতি হাজী আবুল বাশার বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে এমন দুষমনি কোন সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের থাকতে পারে না। বিদ্যালয়ে এই এলাকার ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে এটার সাথে কেন দুষমনি থাকবে। এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করতে আমি অনেক দৌড়ঝাঁপ করেছি, অনেক শ্রম দিয়েছি। অফিসে আগুন লাগিয়ে দেওয়ায় আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। বিদ্যালয়ের অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে যা সহজে পূরন হবার নয়।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান জানান, বিদ্যালয়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবো।





