স্টাফ রিপোর্টার :
৬ ঋতুর দেশে যেন উলট-পালট হয়ে গেছে গরম-শীতের দিন। গ্রীষ্মের ২ মাস বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ। কিন্তু গ্রীষ্মকাল শেষে নাতিশীতোষ্ণ শরতেও গত ৩ দিন থেকে রাত পোহালেই নগরবাসীকে পুড়াচ্ছিলো কাঠফাটা রোদ। তীব্র গরমে সিলেটে মানুষের ছিলো হাঁসফাঁস অবস্থা।
তবে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় নগরীতে নামলো স্বস্তির বৃষ্টি। এতে খানিকটা হলেও নগরবাসীকে দিয়েছে প্রশান্তি।
শনিবার আবহাওয়া অফিস জানায়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে বইছে অসহনীয় তাপপ্রবাহ। ফলে ওষ্ঠাগত এ অঞ্চলের জনজীবন। শুক্রবার ৯ সেপ্টেম্বর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে- ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে শনিবার তাপমাত্রা সামান্য কিছুটা কম। আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, বাতাসে শিউলিফুলের ঘ্রাণ নিয়ে প্রকৃতিতে এসেছে চিরায়ত বাংলার ঋতুরানী শরৎ। কিন্তু জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে নিয়মমাফিক ঋতুচক্রের চিত্র এখন সিলেটে আর নেই। গত ৩ দিন থেকে ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি উঠে চরমে। দিনের মতো রাতেও ছিলো ভ্যাপসা গরম।






