রবিবার পুলিশ সপ্তাহ-২০২২ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাৎপর্যপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশের নানা কার্যক্রম ও তৎপরতার প্রশংসাও করেছেন। পূর্বসূরিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সকল আঘাত থেকে রক্ষা করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখাসহ গণতন্ত্র সমুন্নত রাখতে প্রত্যেক পুলিশ সদস্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন।
সর্বপ্রকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির পূর্বশর্ত হলো শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে পুলিশের ওপর সমাজ নির্ভরশীল। বিশেষ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। পুলিশের ওপর সাধারণ নাগরিক যেমন ভরসা করেন, তেমনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগেরও অন্ত নেই। পুলিশের দায়িত্বহীনতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকে। পুলিশের ভাল কাজ ছাপিয়ে দুর্নীতি ও কিছু গর্হিত অপরাধের কথা ফলাও করে প্রচার হওয়ার অপসংস্কৃতি থেকে সমাজ বেরিয়ে আসতে পারেনি। সাধারণ মানুষের মনে পুলিশ সম্পর্কে এক মিশ্র অনুভূতি কাজ করে। পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থার জায়গাটি এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। তবে একতরফাভাবে কেবল পুলিশকে দোষ দেয়া সমীচীন নয়। পুলিশের সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। পুলিশকে জনবান্ধব করতে হলে জনবলসহ সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।







