বছরের প্রথম চন্দ্র গ্রহণ আজ

8
This photo provided by Bob Baer and Sarah Kovac, participants in the Citizen CATE Experiment, shows a "diamond ring" shape during the 2016 total solar eclipse in Indonesia. For the 2017 eclipse over the United States, the National Science Foundation-funded movie project nicknamed Citizen CATE will have more than 200 volunteers trained and given special small telescopes and tripods to observe the sun at 68 locations in the exact same way. The thousands of images from the citizen-scientists will be combined for a movie of the usually hard-to-see sun’s edge. (R. Baer, S. Kovac/Citizen CATE Experiment via AP)

কাজিরবাজার ডেস্ক :
বছরের শুরুতে আজ শুক্রবার সংঘটিত হতে যাচ্ছে চন্দ্র গ্রহণ। তবে বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন চাঁদের উপচ্ছায়ায় গ্রহণ। শুক্রবার রাত ১১টায় ৭ মিনিটে এটি শুরু হবে। আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে। তবে খালি চোখে চন্দ্র গ্রহণ দেখায় ক্ষতি নেই। বাংলাদেশ এ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এফ আর সরকার বলেন, প্রচ্ছায়া ও উপচ্ছায়ার মাধ্যমে চন্দ্র গ্রহণ হয়ে থাকে। শুক্রবার উপচ্ছায়া গ্রহণ।
এফ আর সরকার বলেন, বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার সময় এই গ্রহণ শুরু হবে। রাত ১টা ৮ মিনিটে সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে। শেষ হবে ৩টা ১২ মিনিটে। চন্দ্র গ্রহণের কেন্দ্রীয় গতিপথ থাকবে চীনের ইউনানের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে ভারতের দাহোর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে। চন্দ্র গ্রহণ শেষ হবে সৌদি আরবের আলহাফিয়ার উত্তর-পূর্ব দিকে।
জ্যোতিবিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদ সূর্য পৃথিবী যখন একই সরল রেখায় চলে আসে তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে চাঁদকে আংশিক অথবা পুরোপুরি ঢেকে ফেলে। তখন সে ঘটনাকে বলা হয় চন্দ্র গ্রহণ। চাঁদ রাতে বেলায় দেখা যাওয়ার কারণে পৃথিবীর যে অংশে রাত শুধু সে অংশ থেকে এ ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব। তাদের হিসাব মতে, এ বছর আরও একাধিক চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণ হবে। এফ আর সরকার বলেন, আগামী জুলাই মাসের ৪ তারিখ ও নবেম্বর মাসের ২৯ তারিখে এই ধরনের চন্দ্র গ্রহণ হবে। এর বাইরে ১৪ ডিসেম্বর হবে পূর্ণগ্রাস সূর্য গ্রহণ। সেটি বাংলাদেশ থেকে আংশিক দেখা যাবে। তবে আজ রাতে যে চন্দ্র গ্রহণ হবে তা দেশ থেকে ৬০ শতাংশ অবলোকন করা যাবে। এর আগে গত বছরের শেষের দিকে গত ২৬ ডিসেম্বর সংঘটিত হয় বয়লগ্রাস সূর্য গ্রহণ। যা বাংলাদেশ থেকে প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হয়েছিল।