ওসমানীর শততম জন্মবার্ষিকী পালিত ॥ মুক্তিযুদ্ধে ওসমানীর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

0
8

মহান মুক্তিযুদ্ধে জেনারেল ওসমানী যে ভূমিকা রেখেছেন তা বাঙালির স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। আমাদের স্বার্থেই ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যু দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন ও তাঁর জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর মরহুম জেনারেল এম এ জি ওসমানীর শততম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তাগণ এ কথা বলেন। ৩ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে নগরীর সুরমা ম্যানশনস্থ গণদাবী ফোরামের কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান চৌধুরী এডভোকেট। ফোরামের সিলেট জেলা সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক চৌধুরী দেলওয়ার হোসেন জিলনের উপস্থাপনায় সভায় বক্তব্য রাখেন-সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এডভোকেট, সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী গোলাম মর্তুজা, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন আহমদ, দেওয়ান মসুদ রাজা চৌধুরী, শিক্ষক আব্দুল মালিক, কয়েছ আহমদ সাগর, শওকত আলী, আমীন তাহমিদ, তামীম চৌধুরী আপন প্রমুখ।
সভায় গৃহীত প্রস্তাবে বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম ও মৃত্যু দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, তাঁর জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভূক্ত করা, ওসমানীর স্বহস্তে লিখিত স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্বলিত পান্ডুলিপি উদ্ধার করে বাংলা একাডেমী বা জাতীয় গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে কপি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ ও স্বল্প মূল্যে জনসাধারণের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা, বাংলাদেশ টেলিভিশন সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় যথাযথভাবে ওসমানীর শততম জন্মবার্ষিকী পালন সংক্রান্ত সংবাদ প্রচার ও প্রকাশে অনিহা প্রকাশ করায় উদ্বেগ প্রকাশ, বঙ্গবীর ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল কিংবা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বিভিন্ন ইউনিট ও কমান্ড ওসমানীর শততম জন্মবার্ষিকীতে স্বতন্ত্রভাবে কোন কর্মসূচি গ্রহণ ও পালন না করায় উদ্বেগ প্রকাশ, নতুন প্রজন্মের কাছে ওসমানীকে তুলে ধরার লক্ষ্যে সিলেট বিভাগের প্রবেশদ্বার হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর সায়হাম চত্বর, সিলেট জেলার প্রবেশদ্বার শেরপুর পয়েন্ট, সিলেট শহরের প্রবেশদ্বার দক্ষিণ সুরমার পরাইরচক এবং শাহজালাল বিশ^বিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ^বিদ্যালয় সহ সিলেট বিভাগের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাঁর ম্যুরাল/ভাস্কর্য/স্মৃতিফলক স্থাপনের দাবী জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি