কর মেলায় প্রথম দিনে ২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আদায়

0
11
ফিতা কেটে কর মেলার উদ্বোধন করছেন প্রধান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ট্যাক্সেস এন্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. সিরাজুল ইসলাম।

স্টাফ রিপোর্টার :
কর অঞ্চল সিলেটে আয়কর মেলার প্রথমদিনে ২ কোটি ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার ৭৫০ টাকা আদায় করা হয়েছে। দিনব্যাপী মেলা প্রাঙ্গণ থেকে সেবা নিয়েছেন ৯৮১ জন করদাতা। নতুন ইটিআইএনধারী হয়েছেন ৪০ জন। এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার আয়কর মেলার প্রথম দিনেই সেবাগ্রহীতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
এর আগে সকালে বর্ণাঢ্য পরিবেশে আয়কর মেলা-২০১৮ এর উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (ট্যাক্সেস লিগ্যাল এন্ড এনফোর্সমেন্ট) মো. সিরাজুল ইসলাম। সিলেটের কর কমিশনার আবু হান্নান দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ কামরুল হাসান, পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া, চেম্বার অব কমার্স সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ ও কর আইনজীবী সমিতি সভাপতি এডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম কর কমিশনার সাহেদ আহমেদ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন, উপ কর কমিশনার (প্রশাসন) কাজল সিংহ, আনোয়ার সাদাত, বাপন চন্দ্র দাস, সাদ উলল্লাহ, আবু সাঈদ, অতিরিক্ত সহকারি কর কমিশনার কামরুল হোসেন, আনিসুর রহমান, সহকারি কর কমিশনার আবু নাসের সিদ্দিকী, কর পরিদর্শক ফাতেমা বেগম ও সামসুন্নাহারসহ অতিথিবৃন্দ।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নগরীর রিকাবিবাজারস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেশিয়ামে ৭দিন ব্যাপী আয়কর মেলার উদ্বোধন হয়। ‘উন্নয়ন ও উত্তরণ, আয়করের অর্জন’ শ্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এ মেলা শেষ হবে আগামী ১৯ নভেম্বর। প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মেলা থেকে সেবাগ্রহিতারা সেবা পাবেন বলে জানিয়েছেন সিলেট কর অঞ্চলের উপ কর কমিশনার কাজল সিংহ।
২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৮৫২ দশমিক ৯৮ কোটি লক্ষ্যমাত্রা আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে অর্থ বছর শুরু করে সিলেট কর অঞ্চল। অর্থ বছরে সিলেটে ১৮ হাজার নতুন ইটিআইএনধারী করার লক্ষ সিলেট কর অঞ্চলের। আগামি অক্টোবর পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সময়সীমা থাকলেও এরইমধ্যে নতুন ইটিআইএনধারী ৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছেন, জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সিলেট কর অঞ্চল ২২টি সার্কেলে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এরমধ্যে সিলেটে ১৩, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জে ৩টি কর অঞ্চল রয়েছে। এবার মেলায় ২৩টি সার্ভিস ডেস্ক, ৩টি ইটিআইএন, রিটার্ন গ্রহণ, সঞ্চয়ী ব্যুরো, আইনজীবী, ব্যাংক বুথের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা, মহিলা প্রতিবন্ধী ও সাংবাদিকদের জন্য পৃথক বুথ করা হয়েছে মেলায়।
সিলেট কর অঞ্চলের উপ কর কমিশনার কাজল সিংহ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এবার মেলা থেকে ৪৫ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। গত বছর আদায় ছিল ৪১ কোটি টাকা ও দাখিলকৃত রিটার্ণের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৫৯৯। এবার এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশাবাদি তারা।