যারা এদেশ থেকে ইসলাম নির্মূল করতে চাইবে তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে —-মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরী র সদস্য সচিব ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেছেন,  যারা কুফুরী শক্তির সহায়ক বা যারা নাস্তিকদের পক্ষ নিয়ে ইসলামী জনতার ওপর জুলুম নির্যাতন করেছে, তাদের সঙ্গ ত্যাগ করা সকল ঈমানদারের উচিত। লতিফ সিদ্দিকীর ফাঁসি দাবী করে বলেন, উপমহাদেশের আযাদি আন্দোলনে উলামায়ে দেওবন্দের ভূমিকা ছিলো সবচাইতে বেশী। যুগে যুগে এই সিলসিলার আলেমগণ রক্ত দিয়েছেন। শাপলা চত্বরে ও এই উলামায়ে কেরামের নজীরবিহীন আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঈমানদারের ত্যাগ কখনো বৃথা যেতে পারেনা, মরলে শহীদ-বাঁচলে গাজি!  যারা এদেশ থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূল করতে চাইবে তারাই ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেবলেন, পৃথিবীর ক্ষমা কারো জন্যে চিরস্থায়ী নয়। ফেরাউনের বিশাল শক্তি সামর্থ্য ছিলো কিন্তু তার ক্ষমতাও চিরস্থায়ী ছিল না। তাই কেউ ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান নিলে আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের  জন্য রয়েছে কঠোর পরিণতি।
তিনি গতকাল রাতে জগন্নাথপুরের ঐতিহ্যবাহী সৈয়দপুরে খলিফায়ে মাদানী  শায়খ সৈয়দ আব্দুল খালিক( রহ.)স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে এসব কথা বলেন।
প্রধান মেহমান হিসেবে বয়ান পেশ করেন, পীরে কামেল হযরত মাওলানা খলিলুর রহমান পীর সাহেব বরুণা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হযরত মাওলানা হাফিজ তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী, হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সদস্য সচিব ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হযরত মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, খলিফায়ে গহরপুরী হযরত মাওলানা মুখলিছুর রহমান কিয়ামপুরী, হযরত মাওলানা শায়খ আসগর হোসাইন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, শায়েখ সৈয়দ আব্দুল খালিক (রহ.) স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সভাপতি, ইউকে জমিয়তের যুগ্ম সম্পাদক হাফিজ মাওলানা সৈয়দ জুনায়েদ আহমদ।
সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে সৈয়দপুর দারুল হাদিস মাদরাসার শায়খুল হাদীস হযরত মাওলানা আব্দুল হাই এবং সৈয়দপুরের বিশিষ্ট আলেম  মাওলানা সৈয়দ আব্দুন নূর। ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি হাফিজ সৈয়দ সোহাইল আহমদ, সৈয়দ মারজান ফিদাউর এবং মাওলানা আমিনুল ইসলাম এর যৌথ উপস্থাপনায় কালামে পাক থেকে তেলাওয়াত করেন হাফিজ সৈয়দ হাবিব আহমদ। বিজ্ঞপ্তি