সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইমাম উদ্দীন আহমদ চৌধুরীর ইন্তেকাল

5

 

সাবেক তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইমাম উদ্দীন আহমদ চৌধুরী আর নেই। মঙ্গলবার ভোর ৩টায় সিলেটে তাঁর হাউজিং এস্টেটস্থ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তিনি ১পুত্র ও ১ কন্যা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামী ২৭ অক্টোবর শুক্রবার বাদ জুমা দরগাহ-ই-হযরত শাহজালাল (রহ.) মসজিদে নামাজে জানাজাশেষে দাফন সম্পন্ন হবে। এর আগে সকালে মরহুমের গ্রামের বাড়ি দাউদপুরে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মরহুম ইমাম উদ্দিন চৌধুরীর একমাত্র পুত্র বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ^বিদ্যালয় হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক বিশিষ্ট ভাসকুলার সার্জন প্রফেসর ডা. নিয়াজ আহমদ চৌধুরী মরহুমের জানাযায় সকলের অংশগ্রহণ কামনা করেছেন।
ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ১৯৯১-এর ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদের উপদেষ্টা পদে নিয়োগ লাভ করেন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেন। ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দের ১০ ডিসেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার রেঙ্গা পরগনার দাউদপুর গ্রামে খ্যাতনামা জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা খানবাহাদুর গৌছ উদ্দীণ আহমদ চৌধুরী আসাম লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তাঁর পূর্বপুরুষ হযরত শাহ দাউদ কুরেশি হযরত শাহজালাল রহ.-এর ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম। তিনি ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র হিসেবে ১৯৫১ সালে কৃতিত্বের সাথে প্রথম শ্রেণিতে বি.এস.সি ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা পাশ করেন। শিক্ষাশেষে তিনি ১৯৫১ সালে পূর্ব বঙ্গ সরকারের কমিউনিকেশন এন্ড বিল্ডিং বিভাগে এসিসট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৮০ সালে তিনি পরিকল্পনা বিভাগের সচিবের দায়িত্ব লাভ করেন। ১৯৮২ সালে পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্ব ছাড়াও পরিকল্পনা কমিশনে সদস্যের দায়িত্ব লাভ করে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তা পালন করেন। কয়েক মাস রেলওয়ে বিভাগের সচিবের দায়িত্ব পালনের পর অক্টোবর ১৯৮৫ সালে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব নিযুক্ত হন এবং উক্ত পদ থেকে ৬ জানুয়ারি ১৯৮৭ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
ইমাম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী অগ্রণী ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি