মাছিমপুরে গরুর হাট বসানো নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ৬ জন আহত

20

স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর কোতোয়ালি থানার মাছিমপুর এলাকায় পশুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অনন্ত: ৬ জন আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে দুই কাউন্সিলরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাছিমপুরে গরুর হাটের জন্য জেলা পরিষদ টেন্ডার আহবান করে। তবে তা পাওয়ার আগেই ৮নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর শারমিন আক্তার রুমির স্বামী মঞ্জু মিয়া ও তার দুই ভাই দিপু ও অপি হাটের জায়গায় বাঁশ বসানো থেকে অন্যান্য কাজ শুরু করেন। এতে ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোস্তাক আহমদের ভাই হারুন রশিদ খছরু বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে দুই পক্ষের ৬ জন আহত হন। আহতদের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, মঞ্জু মিয়া (৩৫), অপি (২৫), দিপু (৩৫), হারুন রশিদ খছরু (৫৫), চান মিয়ার ছেলে ইরান আহমদ ইমন ও হেলাল আহমদের ছেলে সালমান (২৩)। আহতদের মধ্যে হারুন রশিদ খছরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়। সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে এলাকাবাসী অনেকের সাথে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন, প্রতিবছর এখানে কোরবানির পশুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা ও পাল্টা-হামলার ঘটনা ঘটে। অনেক সময় দেশের দূর-দুরান্ত থেকে আসা পাইকার ও বেপারীদের গরু জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গ্রæপ-উপগ্রæপের সৃষ্টি হয়। ঘটে সংঘর্ষ ও রক্তপাতের ঘটনা। এ নিয়ে আতংকে থাকেন এলাকার সাধারণ মানুষ। এবারও যে এর ব্যতিক্রম হবে না এমনটাই আশংকা করছেন সবাই।
কোতোয়ালি মডেল থানা ওসি (তদন্ত) সুমন কুমরা চৌধুরী জানান, গরুর হাট বসানোকে কেন্দ্র করে দুই কাউন্সিলর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।