মাদ্রাসা ছাত্রী গণধর্ষণের শিকার, ২ যুবক গ্রেফতার

3

স্টাফ রিপোর্টার :
দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানার তোরখলা এলাকা থেকে মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১৪) জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে ৮ যুবক। এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে গত শনিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এর প্রেক্ষিতে পুলিশ জালালাবাদ থানার খালপাড় গ্রামের সোনা মিয়ার পুত্র আদিল (২২) ও বিশ্বনাথ থানার মাতাবপুর গ্রামের চেরাগ আলীর পুত্র সিএনজি অটোরিকশা চালক মুহিবুর রহমানকে (৩৭) গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, মাদ্রাসা ছাত্রী (১৪) গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পায়ে হেটে বই আনার জন্য মোগলাবাজার থানার তোরখলা এলাকার একটি মাদ্রাসায় যাচ্ছিল। এসময় সিএনজি অটোরিকশা চালক মুহিবুর রহমান তার সিএনজি অটোরিকশা (সিলেট-থ-১২-১২৪৭) জোরপুর্বক তুলে অচেতন করে ফেলে। এরপর তাকে জালালাবাদ থানার খালপাড়স্থ ২নং আসামী আদিলের দোকানের পেছনের একটি কক্ষে আটক রেখে মামলার ৮ আসামী কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। এরপর গত ২৭ ফেব্রুযারি রাত পর্যন্ত কিশোরীকে একের পর ধর্ষণ করায় কিশোরী অচেতন হয়ে পড়ে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, মোগলাবাজার তোরখলা এলাকায় কিশোরী বই আনার জন্য মাদ্রাসায় যাচ্ছিলো। এসময় জোরপূর্বক সিএনজি অটোরিকশায় তাকে তুলে নিয়ে জালালাবাদ থানার খালপাড়স্থ মামলার ২নং আসামী আদিলের দোকানের পেছনের একটি ঘরে আটকে রেখে গণধর্ষণ করা হয়। এমনকি কিশোরীর পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপনও দাবি করে সিএনজি অটোরিকশা চালক মুহিবুর রহমান। কিশোরীর পরিবার অনেক খোঁজাখুঁিজ পর তাকে পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। সেই সাথে মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। কিশোরী বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।