সাংবাদিকদের যৌথ সভা ॥ দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশ্বনাথের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ

16

বিশ্বনাথ থেকে সংবাদদাতা :
ইউএনওকে দিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের বের করে দিয়ে এমপিকে নিয়ে প্রথম সভা করায় আবারও যৌথ সভা করেছেন বিশ্বনাথে কর্মরত সাংবাদিকরা। গতকাল বুধবার দুপুরে বিশ্বনাথের দু’টি প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে স্থানীয় জব্বার মার্কেটে এ যৌথ সভা করা হয়। সভায় আগামী মঙ্গলবার সকাল ১১টায় আবারও যৌথ সভার ডাক দেওয়া হয়।
এর আগে গত সোমবার বিকেলে একই স্থানে তিনটি সংগঠনের যৌথ সভায় উপজেলা প্রশাসনের সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওইদিন উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময় সভা করেন সিলেট-২ আসেনর এমপি গণফোরাম নেতা মোকাব্বির খান। ওই মতবিনিয় সভায় যথারীতি সাংবাদিকদেরও আমন্ত্রণ করা হয়। সংবাদ সংগ্রহের জন্যে উপজেলা বিআরডিবি হলরুমে স্থানীয় সাংবাদিকরাও উপস্থিত হন। কিন্তু সভা শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে এমপির উপস্থিতিতে ইউএনও সাংবাদিকদের সভা থেকে বের করে দেন। পরে অনেকটা গোপনে ওই মতবিনিময় সভার সমাপ্তিও করা হয়। এ নিয়ে সাংবাদিক সমাজসহ সচেতন মহলে নানা আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই দুপুরে তিনটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বৈঠক করেন এবং উপজেলা প্রশাসেনর সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, আমরা সর্বক্ষেত্রেই সমাজের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে থাকি। স্বাধীনতার পর থেকে সাংবাদিকরা এ পর্যন্ত কোন ঘুষখোর, বদমাস, দুর্নীতিবাজ, কালোবাজারী, সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হয়নি, ভভিষ্যতেও কোন অপরাধী পার পাবেনা। সন্ত্রাসী কিংবা কালোবাজারী যেই হোক তাদের মুখোশ উন্মোচন করা হবে। কারণ ভিন্ন ভিন্ন ব্যানারে থাকলেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথের কলম সৈনিকরা বরাবরই ঐক্যবদ্ধ।
প্রেসক্লাব একাংশের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে ও প্রেসক্লাব অপরাংশের সভাপিত মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল এবং সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য আব্বাস হোসেন ইমরানের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জুবায়ের, কাজী মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, তজম্মুল আলী রাজু, জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, আশিক আলী, আব্দুস শহীদ, প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু, এমদাদুর রহমান মিলাদ, কামাল মুন্না, নুর উদ্দিন, নবীন সোহেল, রোহেল উদ্দিন, জামাল উদ্দিন, আক্তার আহমদ শাহেদ, শুকরান আহমেদ রানা, মিছবাহ উদ্দিন, আবুল কাশেম, আব্দুস সালাম, পাভেল সামাদ, মোশাহিদ আলী ও ফজল খাঁন।