অনুমোদন পেল আরও ৩ ব্যাংক

32

কাজিরবাজার ডেস্ক :
নতুন সরকারের শুরুতেই শর্ত সাপেক্ষে তিনটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বেঙ্গল ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংক নামের এ তিনটি নিয়ে বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৬২তে উন্নীত হলো।
রবিবার রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই তিনটি ব্যাংকটির কার্যক্রম শুরুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এসব ব্যাংকের পেইড আপ কাপিটাল (পরিশোধিত মূলধন) ৫০০ কোটি টাকা হতে হবে। এটিসহ প্রয়োজনীয় আরও শর্ত পূরণের পর তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারি মুখপাত্র জিএম আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনের আগেই বেঙ্গল ব্যাংকের অনুমোদনের ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
‘সভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে ব্যাংকটি। আগের সভায় সামান্য কিছু সমস্যার জন্য পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে এ সভায় দুই ব্যাংকেরও অনুমোদন নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ফজলে কবিরের সভাপতিত্বে রবিবারের সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, বোর্ড সদস্য জামাল উদ্দিন এফসিএ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজি মনিরুজ্জামান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবু ফরাহ মোহাম্মদ নাসের উপিস্থিত ছিলেন।
ব্যাংক তিনটির মালিক যারা : ব্যাংকগুলোর মধ্যে ‘বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের’ জন্য আবেদন করেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। শুরুতে অবশ্য ‘বাংলা ব্যাংক’ নামে অনুমোদনের আবেদন জমা দেয়া হয়েছিল। পরে তা পরিবর্তন করা হয়।
বেঙ্গল গ্রুপের চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন নোয়াখালী-২ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম, যিনি আবার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক। এর আগে তিনি ব্যাংকটির চেয়ারম্যানও ছিলেন। ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মোরশেদ আলম।
পিপলস ব্যাংক লিমিটেডের জন্য আবেদন করেছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা এমএ কাশেম। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের এ অধিবাসী যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের জন্য ব্যাংকটির আবেদন করা হয়েছে।
সিটিজেন ব্যাংকের আবেদনটি এসেছে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পরিবার থেকে। আনিসুল হকের মা জাহানারা হককে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আবেদনপত্রে।