আমার ভাই মনোনয়ন পেলে তার সমর্থক হয়ে কাজ করব -অর্থমন্ত্রী

42

কাজিরবাজার ডেস্ক :
আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন না অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর তার সিলেট-১ আসনে ভাই এ কে এম আবদুল মোমেন যেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান, সে জন্য চেষ্টা করবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের লভ্যাংশ প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান মুহিত।
২০০১ সাল থেকে তিনটি নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে মুহিতকে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। তবে ৮৪ বছর বয়স্ক মুহিত আগামী নির্বাচনে অংশ নাও নিতে পারেন, সেটি আগেই জানিয়েছিলেন তিনি।
আর মুহিতের অবর্তমানে তার ছোট ভাই জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক প্রতিনিধি মোমেনসহ বেশ কয়েকজন আগ্রহী। মোমেন সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তার প্রস্তুতি রয়েছে, দল থেকে মনোনয়ন দিলে তিনি ভোটে দাঁড়াবেন।
নির্বাচনকালীন সরকারে আপনি থাকছেন তো- এমন প্রশ্নে মুহিত বলেন, ‘জানি না, সম্ভবত আছি। এটা প্রধানমন্ত্রী ঠিক করবেন। যখন তিনি নির্বাচনী মন্ত্রিসভা করবেন তখন তিনি এটা ঠিক করবেন। তবে আমার ধারণা যে, আমি হয়তো থাকব। তার একটি কারণ হরো, আমি তো আর নির্বাচন করছি না।’
তাহলে আপনি নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়ে ফেলেছেন- এমন প্রশ্নে মুহিত বলেন, ‘এখন মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি।’
‘তাহলে আপনার আসনে কে নির্বাচন করবেন?- জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মনোনয়ন কমিটি যখন নির্বাচিত করবে…এমনি আমি আমার ভাইকে সাপোর্ট করব, সে যদি মনোনয়ন পায় তাহলে তার সমর্থক হয়ে কাজ করব।’
নির্বাচনকালীন সরকার কবে গঠন হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। গতকাল আমি আমার মতামত দিয়েছিলাম মাত্র। একজন নাগরিক হিসেবে সাজেস্ট করেছি মাত্র।’
আগের দিন অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী ২০ দিনের মধ্যে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হতে যাচ্ছে। আর ভোট ২৭ ডিসেম্বর হতে পারে বলে তিনি শুনেছেন।
তবে নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ এখনও জানায়নি আর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন কবে হবে আর নির্বাচনকালীন সরকার কবে গঠন হবে, সেটি মন্ত্রীর বলার বিষয় না, তা ঠিক করবেন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে যারা অভিযোগ করেছেন, তারা অবান্তর ও অবাস্তব অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করেন অর্থমন্ত্রী।
বলেন, ‘’উনারা বোগাস অভিযোগ করছেন। একজামপল দেন…লাস্ট নির্বাচন হয়েছিল ২০১৪ সালে। একটি দল পার্টিসিপিট (অংশগ্রহণ) করেনি। এটা দুর্ভাগ্য, কিন্তু ফেয়ারনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়েছেন কেউ?’