উন্নয়ন ও শান্তির পথে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়–ন – লোকমান আহমদ

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত ঐতিহাসিক সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মহানায়ক কর্ণেল তাহের (বীরউত্তম) কে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির কষ্টে ঝুলিয়ে হত্যা করার দায়ে আদালত কর্তৃক ঘোষিত টান্ডা মাথার খুনী জিয়াউর রহমানের মরনোত্তর বিচার নিশ্চিত করতে পাকিস্তানপন্থী, জঙ্গিবাদী-অশান্তির রাজনীতি রুখে দিয়ে উন্নয়ন ও শান্তির পথে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে হবে।
জাসদ সিলেট জেলা ও মহানগর শাখা কর্তৃক আয়োজিত মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, সিপাহী জনতার অভূত্থানের মহানায়ক, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা ও বিপ্লবী গণবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, ৭৬ এর খুদিরাম শহীদ কর্ণেল কমরেড আবু তাহের (বীরউত্তম কে হত্যার ৪২ তম বার্ষিকীতে জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট জেলা জাসদ সভাপতি জননেতা লোকমান আহমদ সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
জাসদ সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক গিয়াস আহমদ এর পরিচালনায় ২১ জুলাই ৭০-ফয়জুরবাগ, বড়বাজার সিলেটে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সভায় বক্তারা মহামান্য উচ্চ আদালত কর্তৃক গৃহীত তাহের হত্যা মামলার রায়ের ৮ সারকথা যথা:- কর্ণেল তাহেরের বিচার অবৈধ, সামরিক আদালতের সে বিচারকে লোক দেখানো প্রহসন, তাহেরের ফাঁসিকে ঠান্ডা মাথার পরিকল্পিত হত্যা, জিয়াকে তাহের হত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী, তাহেরের সহঅভিযুক্তদের মহান দেশপ্রেমিক ও কর্ণেল তাহেরকে একজন শহীদ ঘোষণা করার পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের ও সর্বোপরি তাহের হত্যা প্রক্রিয়ায় জড়িত জীবিত দোষীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ প্রদান করেন, উপর বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনা সভার শুরুতে কর্ণেল তাহেরের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয় এবং কর্ণেল তাহেরের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা জাতীয় নারী জোট সভাপতি শামীম আখতার, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক কে.এ কিবরিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমদ মুক্তা, সৈয়দ আনসার আলী, সুলেমান আহমদ, আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়া, কয়েছ আহমদ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি তাওহিদ এলাহি প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি