ওসমানীনগরে প্রতিপক্ষের দেয়া আগুনে মাইক্রোবাসসহ বসতঘর ভস্মীভূত, ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি

ওসমানীনগর থেকে সংবাদদাতা :
ওসমানীনগরে পূর্ব শত্র“তার জেরে অগ্নিকান্ড ঘটিয়ে প্রায় পনের লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার দিনগত ভোর রাতের কোনো এক সময় উপজেলার তাজপুর ইউপির বরায়া কাজির গাঁও গ্রামের মকবুল আলীর বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। সোমবার সকালে সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগর সার্কেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ওসমানীনগর থানার ওসি মো. সহিদ উল্যা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বাড়ির গৃহকর্তা মকবুল আলী জানান, একই গ্রামের মজিদ মিয়ার সাথে তার পূর্ব বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধের জের ধরে মজিদ ও তার পুত্র নাবিদ আলী সেলিমসহ তাদের পক্ষের লোকজন পরিকল্পিত ভাবে রাতের আঁধারে তার বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করেছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করলেও অগ্নিকান্ডে বসত ঘরসহ ঘরে থাকা একটি (লুচিডা) মডেলের মাইক্রোবাস পুরে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। গত শনিবার রাতেও তারা একই কায়দায় বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করলেও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে রমজান মাসে মজিদ ও তার পুত্র সেলিমসহ তাদের পক্ষের লোকজন প্রকাশ্যে দিবালোকে মকবুল আলীর বাড়িতে হামলা করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাংচুর করে। মকবুল আলী অভিযোগ করে বলেন, বারবার হামলা, অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং মজিদ ও তার পুত্রদের অব্যাহত হুমকিতে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় আছি। প্রতিদিন রাতে তারা আমার ঘরের চালে ঢিল ছুঁড়ছে।
বালাগঞ্জ (তাজপুর) ফায়ার এন্ড সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জ ফজলুল হক অগ্নিকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৫ লক্ষ টাকার মালামাল উদ্ধার করতে সক্ষম হই। অগ্নিকান্ডে একটি মাইক্রোবাসসহ বসত ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সহিদ উল্যা বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।