গাভিয়ার খাল থেকে উদ্ধারকৃত বস্তাবন্দি লাশের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার নেই

স্টাফ রিপোর্টার :
নিখোঁজের তিন দিন পর নগরীর ঘাসিটুলার গাভিয়ার খাল থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শ্রমিক সোহাগ মিয়ার লাশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত সোহাগ মিয়ার মা মো: ফুলবানু বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী করে কোতোয়ালী থানায় ‘খুন করে লাশ গুম করার অপরাধের অভিযোগ’ এনে এ মামলাটি দায়ের করেন। নং-৩৯ (১৬-০৪-১৮)। কিন্তু পুলিশ এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার লাশের ময়না তদন্ত শেষে নিহতের আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য,গত ১৩ এপ্রিল থেকে সোহাগের খোঁজ পাচ্ছিলেননা তার স্বজনরা। গত সোমবার সকালে স্থানীয় শিশু-কিশোররা এলজিইডি অফিসের পাশে ক্রিকেট খেলছিলো। একপর্যায়ে বল গিয়ে ওই খালের পাশে পড়ে। এসময় বল কুঁড়িয়ে আনতে গিয়ে বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পায় তারা। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ওসমানী হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। লাশের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়। পুলিশের ধারনা সোহাগকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। কি কারনে এবং কারা তাকে হত্যা করেছে বিষটি তদন্ত করছে পুলিশ। নিহত সোহাগ (১৭) বগুড়া সদর থানার ঝোপগাড়ী (পূর্বপাড়া অলিরবাজার)’র আশরাফের পুত্র। বর্তমানে তারা নগরীর মজুমদারপাড়া ময়না মিয়ার কলোনীতে বসবাস করে আসছিল। পাশাপাশি সোহাগ কাজিরবাজার মাছের আড়তে কাজ করত।