জগন্নাথপুরে ঘোষগাঁও ব্রীজের এপ্রোচ ধসে গাড়ি চলাচল বন্ধ, জন ভোগান্তি চরমে

জগন্নাথপুর থেকে সংবাদদাতা :
জগন্নাথপুরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে ঘোষগাঁও ব্রীজের পূর্ব দিকের এপ্রোচ ধসে পড়েছে। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জন ভোগান্তি চরমে পৌছেছে।
সরজমিনে স্থানীয়রা জানান, বুধবার দুপুরে ব্রীজের প্রায় ২৫ থেকে ২৮ ফুট এরিয়া নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো এপ্রোচ ধসে পড়েছে। বর্তমানে মাত্র ২ থেকে ৩ ফুট অবশিষ্ট সড়ক ভাঙনের কবলে রয়েছে। তাও যে কোন সময় ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছোট রাস্তা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করছেন।
এদিকে-এপ্রোচটি ধসে পড়ায় জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়কে সকল প্রকার যানবাহন সরাসরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে যাত্রী ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যদিও জগন্নাথপুর থেকে এ ব্রীজ ও ব্রীজ থেকে শিবগঞ্জ পর্যন্ত দুই দিক থেকে যানবাহন চলাচল করছে। তবে ব্রীজ এরিয়া পায়ে হেটে যাতায়াত করছেন জনতা।
এ সময় স্থানীয় ভুক্তভোগী জনতা জানান, গত প্রায় দুই মাস আগে ব্রীজের এ স্থানের প্রায় ২০ ফুট এরিয়া নিয়ে প্রথমে ধসে পড়ে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। তারা অভিযোগ করে বলেন, এ সময় ধসে যাওয়া স্থানে মেরামত করা হলে এখন পুরোটা ধসে যেত না। তখন কাজ করা হলে হয়তো মাত্র ৪/৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ধসে যাওয়া স্থান পুনরায় মেরামত করা যেত। বর্তমানে ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়েও কাজ শেষ করা যাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে বলে এ কাজে অভিজ্ঞ অনেকে জানান। এতে কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে কাজের ব্যয় ও জনতার ভোগান্তি বেড়েছে বলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) গোলাম সারোয়ার কর্তৃপক্ষের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ স্থানের গভীরতা প্রায় ৬০ ফুট। এখানে সাধারণ ভাবে মেরামত কাজ করার কোন সুযোগ নেই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ধসে যাওয়া স্থানটি পুনরায় মেরামত করার বিষয়ে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত কাজ শুরু হয়ে যাবে।