ছাত্রলীগ নেতা লাঞ্ছিত ও গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে ছাত্রদলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা :
ছাত্রদল কর্তৃক কলেজ ক্যাম্পাসে উপজেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি নাহিদ সুলতান পাশাকে লাঞ্ছিত ও মোটরসাইকেল ভাংচুরের প্রতিবাদে ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে ছাত্রদলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা ছাত্রলীগ কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সভা থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয় । জানা গেছে, শনিবার কলেজ ক্যাম্পাসে প্রথম বর্ষের একটি মেয়েকে কেন্দ্র করে জুলমান নামের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ছাত্রদল কর্মীরা মারধর করছে এমন খবরে উপজেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি নাহিদ সুলতান পাশা কলেজে ছুটে আসেন। এ সময় তিনি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হাতে নিগৃহীত হন। এক পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভফ’চুর করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কলেজের শিক্ষকরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এ ঘটনায় ওইদিনই পাশা বাদী হয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় ছাত্রদলের জ্ঞাত ১৩ জন ও অজ্ঞাত আরো ১৫ জনের বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ১৪৩/৩২৩/৩৫২/৪২৭ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রতিবাদে পরদিন ছাত্রদল কলেজে বিক্ষোভ মিছিল করে মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানায়। এতে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে।
ছাত্রলীগের নাহিদ সুলতান পাশা জানান, শনিবার তার মামাতো ভাই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছাত্রলীগ কর্মী জুলমান তাকে ফোন করে জানায়, ছাত্রদলের ছেলেরা তাকে মারধর করছে। এমন খবরে তিনি একাই কলেজে ছুটে যান। ক্যাম্পাসে গিয়ে পাশা আক্রমণের কারণ জিজ্ঞেস করেন। কিছু বুঝে উঠার আগেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলার চেষ্টা চালায়, এ সময় তিনি তাদেরকে প্রতিহত করে প্রিন্সিপালের কক্ষে চলে যান। এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তার মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।
ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তায়েফুজ্জামান জানান, ক্যাম্পাসের একটি ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে কলেজের নিরীহ ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দু:খজনক। বিক্ষ্ব্ধু ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মঙ্গলবার উপজেলা সদরে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে এসে এক সভায় মিলিত হয়। উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জুনেদ আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাাদক এম ফারহান সাদিকের পরিচালনায় এতে বক্তব্য রাখেন , ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নাহিদ সুলতান পাশা, মেহরাব হোসেন জুনেল, যুগ্ম সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম দিলু, সাংগঠনিক সাম্পাদক জাবেদুর রহমান ডেনেছ, তোফায়েল আহমদ ইমন, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা সেকুল ইসলাম শান্ত, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ফারদিন আহমদ, মাহদিন আহমদ, রফিক, মিঠু, পাপলু, সাইফুল , রাহাত, খালেদ পাপ্পু, নাইম, সাদি, জাকের, ফাহিম, ইনান, হৃদয় ও জয়।