পুরাতন সংবাদ: July 14th, 2018

বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে – তাহসীনা রুশদীর লুনা

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, ইলিয়াস পতœী তাহসীনা রুশদীর লুনা বলেছেন, এটা গাজীপুর কিংবা খুলনা নয়। সিলেট হচ্ছে পুণ্যভূমি। এখানে বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে সিলেটের জনগণকে সাথে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। বিস্তারিত

বেলজিয়ামকে ইতিহাস ডাকছে

স্পোর্টস ডেস্ক :
আগামীকাল রাশিয়া বিশ্বকাপের ফাইনাল। তার আগে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটা অনুষ্ঠিত হবে আজ। সেন্ট পিটার্সবার্গে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি। সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, মাছরাঙা ও নাগরিক টেলিভিশন। বিস্তারিত

পোস্টার আর পোস্টার…

চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে ক্রোয়েশিয়া ? কাল ফাইনালে প্রতিপক্ষ ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক :
সময় এক নিষ্ঠুর এবং রহস্যময় সত্য। সময় নিয়ে নানা মুনির নানা মত আছে। কেউ বলেন- মহাবিশ্বের মৌলিক কাঠামোর একটি অংশ, যেটি একটি বিশেষ মাত্রা এবং যেখানে ভৌত ঘটনাসমূহ একটি ক্রমধারায় ঘটে। এটি বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি যা আইজ্যাক বিস্তারিত

হুলো চোরের পরিণতি

রেজাউল রেজা

হুলো বিড়াল আঁধার রাতে
খুন্তি, সাবল, কোদাল হাতে
চুরি করতে গেল,
চুপি চুপি হুলো বিড়াল
সবার চক্ষু করে আড়াল
দুধ-ডিম নিয়ে এলো।

দরজা-কপাট বন্ধ করে
অন্ধকারে হুলো চোরে
মজা করে খেলো,
খেলো ঠিকই মজায় মজায়
পেটে ব্যথা ধরল বেজায়
চুরির মজা পেল।

 

বৃষ্টি এলে

কবির কাঞ্চন

সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ে
ঝুম ঝুমা ঝুম শব্দ করে
কী যেন কী হয়!
ঘন মেঘে বৃষ্টি ফলে
বারেবারে বিজলী জ্বলে
খোকার মনে ভয়।

হারিয়ে গিয়ে বনের পাখি
লুকিয়ে মেলে নিটোল আঁখি
কন্ঠে ধরে গান,
শুষ্ক বুকে শীতল জলে
কোষে কোষে নৃত্য চলে
জাগে তরুর প্রাণ।

সাগর নদী বিলে ঝিলে
ধূলিমাখা পানি গিলে
মরাপুকুর জাগে,
মৎস্য ছুটে হাওর পানে
বড়শিওয়ালা মাছের টানে
ছুটে সবার আগে।

বৃষ্টি এলে দুষ্ট ছেলে
গা ভিজিয়ে সুখে খেলে
জলের ছিটাছিটি,
আদুল গায়ে পায়ে পায়ে
ছুটে চলে ডানে বায়ে
হাসে মিটিমিটি।

 

কবিতা আর লিখব না

আবু আফজাল সালেহ

কবিতা আর লিখব না!
কবিতা লিখতে বোলো না আমায়।
মানচিত্র ছিঁড়ে খেতে চায় শকুনেরা!
দেশপ্রেম নেই আজ; শুধুই কাগজে-কলমে।
নিজ স্বার্থের কাছে বিকিয়েছি তা!

কবিতার শব্দগুলো আসে না এখন
বিমুখ কবিতাগুলো দলছুট হরিণের ন্যায়।
আমরা সবাই রঙিন চশমা পরে-
তাই কবিতার শব্দগুলো আসে না ঠিকমতো।
কবিতাগুলো চিল্লিয়ে বলে- ওহে কবি
রঙিন চশমা খুলে রাখুন-
নাহলে আমি পালালাম।

 

বিষাক্ত মাদক

এম.এ.কাওছার মুরাদ

আয় আয় আয় খোকা আয় কাছে আয়,
পড়তো কি লেখা প্যাকেটের গায়।
খোকা পড়ে “ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর,”
বাবা বলে ও খোকা এত দেখি শুভঙ্কর।
খোকা বলে ও বাবা এটা কিসের ছবি?
বাবা বলে তামাক খেয়ে মানুষের হৃৎপিণ্ডের রোগ
আলসার, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, টিবি।
খোকা বলে ও বাবা এসব তো প্রাণহানি রোগ,
মানুষ কোন স্বার্থে ধূমপানে জীবন করে ভোগ।
বাবা বলে যারা ধূমপায়ী তাদের তো দুর্গতি,
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সমাজ ও পরিবেশের হচ্ছে ক্ষতি।
এ ক্ষতি করে’ই চলছে দেশের সর্বস্তরের মানুষ,
ধূমপানে নেশাখোর হয়ে জ্ঞানী-মূর্খ সবাই বেহুঁশ।

এ দেশের মানুষ কেউ দুধ বেঁচে মদ কিনে,
আবার কেউ মদ বেঁচে দুধ কিনে খায়,
মানুষের দুয়ারে দুয়ারে দুধওয়ালা ঘুরে
মানুষ মদ গাঁজা খেতে মদওয়ালার বাড়ি যায়।
শোনো খোকা, সৃষ্টির সূচনা থেকে’ই-
মানুষের নিষিদ্ধ পণ্যের প্রতি বেশি টান,
মানুষ যখন মরণকে দেখতে পায়
তখন বুঝে সুস্থ জীবনের মান।
কেউ পেশাকে নেশা করছে
আবার কেউ নেশাকে করছে পেশা,
কারো কাছে নেশা হলো কর্মক্ষেত্র
আবার কারো কাছে নেশা হলো রংতামাশা।

শোনো খোকা, কেউ সম্পদের পাহাড় তোলে-
কঠোর পরিশ্রম আর তপস্যা-সাধনা করে,
আবার কেউ ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল খেয়ে
সর্বস্ব হারিয়ে রাস্তাঘাটে কুত্তা মরা মরে।
নেশাখোর নেশায় বিভোর, জীবনের মূল্য জানে না,
কোকেন, আফিম, বিয়ার সব’ই বিষাক্ত মাদক,
মানুষ কেনো সেবনের আগে বুঝে না।
বিষাক্ত মাদক যেবনকারী সমাজের দুর্গতি,
জীবননাশক দ্রব্যের নেশায় তাঁরা করে দুর্নীতি।
তাইতো নেশাখোর ব্যক্তি সুশীল সমাজে
একটি চতুষ্পদ প্রাণীর চেয়েও মূল্যহীন,
বিষাক্ত মাদকে ধ্বংস হচ্ছে যুব সমাজ
নেশাগ্রস্ত জাতি ষোলোকলা অর্থহীন।

 

স্বপ্ন এসো

মাযাহারুল ইসলাম অনিক

মোরগ মামা কখন ধরে যাচ্ছে দেখো ডেকে,
ঘুমের মাঝে স্বপ্নগুলো আসছে থেকে থেকে।
ওমা তোমায় বলছি শোন স্বপ্ন ছিল মেলা,
তাদের সাথে করছি আমি রংবেরঙের খেলা।

ফলফলারি কত্ত কি যে ছিল সেথায় ভরা,
লাফায় লাফায় ইচ্ছামত যেতো যে সব ধরা।
শাসন বারণ কেউ করে না চলছি খেয়াল খুশি,
হাতের মাঝে যখনতখন জোনাক পোকা পুষি।

ধূলো ময়লা নেই যে কোথাও রঙে ভরা দেশ,
মোরগ মামা হঠাৎ ডেকে করলো সবই শেষ।
তাইতো তোমায় বলছি শোন স্বপ্ন এনে দাও,
স্বপ্ন রানি জলদি এসে আমায় নিয়ে যাও।

তোমায় ছাড়া মনটা আমার লাগছে না আর ভালো,
সূর্য মামা উড়ে এসে দিচ্ছো কেন আলো?
ভাত খাবো না হাত ধোবো না পড়বো না আর বই,
স্বপ্ন রানি আমায় ছেড়ে গেলে তুমি কই?

ওমা আমার লক্ষ্মী সোনা স্বপ্ন বেঁধে আনো,
স্বপ্ন ছাড়া বাঁচবো না আর তোমরা সবাই জানো।
মোরগ মামা হঠাৎ করে দিলে কেন ডাক?
মিষ্টি মধুর ডাক যে তোমার দূরে নিপাত যাক।

গায়ে পড়ি পায়ে ধরি স্বপ্ন এসো এবার,
তোমার কাছে আছে আমার কত্ত কিছু নেবার।
স্বপ্ন খোঁজে বিভোর আমি ছুটছি আজো একা,
কোথায় গেলে পাবো রে ভাই স্বপ্ন সুখের দেখা?

 

ঋতুরাজের সাজ

রমজান আলী রনি

গাছে ডাকে কোকিল পাখি
শাখে ফুটে ফুল
হিমেল হাওয়ায় পেখম মেলে
উড়ে মাথার চুল।

মনের দুয়ার ফুলের জোয়ার
জুই,চামেলি,গাঁদা-
ফুটে আছে পলাশ,জবা
লাল-নীল,সবুজ,সাদা।

ঋতুরাজে ফাগুন এলো
একরাশ ফুলের দোলায়
পাখির গানে বাঁশির সুরে
ফুলে ভ্রমর ভোলায়।

ফাগুনের রং রঙধনুর ঢং
ঋতুরাজের সাজ
প্রকৃতিতে নতুন আমেজ
বসন্ত যে আজ।