পুরাতন সংবাদ: May 2018

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

কাজিরবাজার ডেস্ক :
আজ চতুর্থ রমজানুল মোবারক ১৪৩৯ হিজরী এ মহানবী (সা.) বলেন যে, ইহা ছবরের মাস এবং ছবরের বিনিময়ে আল্লাহপাক জান্নাত রেখেছেন। ইহা মানুষের সাথে সহানুভুতি করার মাস। এ মাসে মুমিন বান্দাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি কোন বিস্তারিত

চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী ৩শ’ টাকা নির্ধারণ করুন – বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন

ঐতিহাসিক ২০ মে চা শ্রমিক দিবস উপলক্ষে সিলেটের চা বাগানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে আম্বরখানাস্থ কার্যালয় থেকে র‌্যালী ও লাল পতাকা মিছিল বের হয়ে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে বিস্তারিত

শাহী ঈদগাহে পবিত্র কুরআন শরিফ বিতরণ

লন্ডনের সাওয়াব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহে ৩শ কুরআন শরিফ বিতরণ করা হয়েছে। নগরীর শাহী ঈদগাহের হাজারীবাগ জামে মসজিদে স্থানীয়দের মাধ্যমে পবিত্র কুরআন শরিফ বিতরণ করা হয়।
উক্ত পবিত্র কুরআন শরিফ লন্ডন প্রবাসী বিস্তারিত

রামাদান মাসের ফযীলত আদায়ে সঠিক নিয়ম

॥ মুহাম্মদ মনজুর হোসেন খান ॥

রমজান মাসের ফযিলত, এ মাসের রহমত, বরকত ও মাগফিরাত এ সব কিছু হাছিল করার জন্যে নবী (সাঃ) কয়েকটি শর্তারোপ করেছেন যে শর্তগুলো যে মু’মিনের মধ্যে পাওয়া যাবে ঐ মু’মিনই শুধু রামাদান মাসের ফযিলত, রহমত, বরকত ও মাগফিরাত পাবেন। আর এ শর্তগুলো যে মু’মিনের মধ্যে পাওয়া যাবে না সে মু’মিন শুধু কষ্ট করেই রামাদান মাসের সিয়াম (রোজা) পালন করবেন, তারাবীহ্ আদায় করবেন কিন্তু আল্লাহ তা’য়ালার পক্ষ থেকে কোন প্রকার ফযিলত, রহমত, বরকত ও মাগফিরাত পাবেন না। তাহলে ঐ শর্তগুলো জানা আমাদের জন্যে খুবই জরুরী। নবী (সা:) আমাদেরকে যেভাবে সিয়াম (রোজা), কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ্) ও লাইলাতুল ক্বাদর করতে বলেছেন, আমাদেরকে ঠিক সেভাবেই পালন করার চেষ্টা করতে হবে। নবী (সা:) যে কয়েকটি শর্তারোপ করেছেন এরকম গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক শর্ত হলো ৩ টি আর তা হলো ১. ঈমান ২. এহতেছাব, ৩. হালাল উপার্জন। এ তিনটি বিষয় সম্পর্কে আমরা আলোচনা করবো ইন্শা’আল্লাহ।
রামাদান মাসের খাছায়েছ তথা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এ মাসে আল্লাহ তা’য়ালা ৩ টি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত দান করেছেন যে গুলো অন্য কোন মাসে দেন নাই। সহীহ আল বোখারী ও সহীহ আল মুসলিমে বর্ণিত ‘মুত্তাফাকুন আলাইহি’ হিসেবে হাদিসটিতে রাসূল (সাঃ) রামাদান মাসের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের কথা উল্লেখ করেছেন আর সেগুলো হলো ১. ফরজ সিয়াম (রোজা), যা আল্লাহ তা’য়ালা কেবল রামাদান মাসেই উম্মতে মোহাম্মদীকে দান করেছেন, ২. ক্বিয়ামুল লাইল তথা তারাবীহ এর নামাজ। ক্বিয়ামুল লাইল অন্যান্য মাসেও আছে কিন্তু রামাদান মাসের ক্বিয়ামুল লাাইলের গুরুত্বটা আলাদা। এই মাসের ক্বিয়ামুল লাইলকে/ক্বিয়ামে রমাদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ৩. লাইলাতুল ক্বদর, যেটি রামাদান মাস ব্যতীত বছরের আর কোন মাসে পাওয়া যায় না। হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদিস রাসূল (সাঃ) এ ৩ (তিন) টি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতকে এক বাক্যে না বলে তিনটি বাক্যে আলাদা আলাদাভাবে বলেনঃ “যে ব্যক্তি রামাদান মাসে সিয়াম (রোজা) পালন করবেন ঈমান ও এহতেছাবের সাথে, আল্লাহ তা’য়ালা তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন”। “যে ব্যক্তি রামাদান মাসে ক্বিয়ামুল লাইল (তারাবীহ এর নামায) আদায় করবেন ঈমান ও এহতেছাবের সাথে, আল্লাহ তা’য়ালা তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন”। “যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রে ক্বিয়ামুল লাইল করবেন ঈমান ও এহতেছাবের সাথে, আল্লাহ তা’য়ালা তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন”। শুধু সিয়াম তথা রোজা পালন করলেই হবে না, শুধু ক্বিয়ামুল লাইল (তারাবীহ এর নামাজ) পড়লেই হবে না, শুধু লাইলাতুল ক্বাদরে ক্বিয়ামুল লাইল পড়লেই হবে না, মাগফিরাত পাবার জন্যে এ দুইটি জিনিস ঠিক থাকতে হবে। যদি এ দুটি জিনিস ঠিক না থাকে তাহলে তিনি রোজা পালন করবেন, তারাবীহ এর নামাজ আদায় করবেন, লাইলাতুল ক্বদরে ক্বিয়াম করবেন কিন্তু কোন ফায়দা পাবেন না, গুনাহ থেকে মাফও পাবেন না। তিনটি ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর বান্দাদের গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন। তিনটির ক্ষেত্রেই রাসূল (সাঃ) শর্ত দিয়েছেন দুটি, একটি হলো ঈমান অপরটি হলো এহতেছাব। ঈমান ও এহতেছাবের সাথে সিয়াম (রোজা) পালন করতে হবে, ঈমান ও এহতেছাবের সাথে ক্বিয়াম (তারাবীহ) আদায় করতে হবে, ঈমান ও এহতেছাবের সাথে লাইলাতুল ক্বাদরে ক্বিয়াম আদায় করতে হবে। তাহলে আমাদেরকে বুঝতে হবে ঈমান ও এহতেছাব কী জিনিস?
ঈমানের ব্যাপারে আমরা কম বেশী জানি, কারণ আমরা সবাই ঈমানদার, মু’মিন। কিন্তু ঈমানের দাবি করা সত্ত্বেও মাঝে মাঝে আমরা শির্ক করে থাকি, যে শির্ককে আমরা শির্ক বলে জানি না বা র্শিক বলে মনে করি না অথচ সেগুলো আমাদের জন্যে র্শিক। হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদিস যে হাদিসকে আমরা ‘হাদীসে জিবরাঈল’ বলে জানি, একবার হযরত জিবরাঈল (আঃ) মানুষের আকৃতি ধারণ করে নবী (সাঃ) এর কাছে আসলেন যেখানে অনেক সাহাবায়ে কেরাম বসা ছিলেন। এসে হযরত জিবরাঈল (আঃ) নবী (সাঃ) কে যে কয়েকটি প্রশ্ন করেছিলেন তন্মধ্যে একটি ছিল, ‘আমাকে বলেন ঈমান কাকে বলে? ঈমান কী জিনিস’? হযরত জিবরাঈলের (আঃ) এ প্রশ্ন করার উদ্দেশ্য হলো উম্মতকে, সাহাবায়ে কেরামকে শিক্ষা দেয়া। নবী (সাঃ) এর উত্তরে বললেন, ঈমান হলো বিশ্বাস স্থাপন করা, আল্লাহ তা’য়ালার প্রতি, সকল ফেরেশতার প্রতি, সকল আসমানী কিতাবের প্রতি, সকল রাসূলের প্রতি, আখেরাতের প্রতি ও তাক্বদীরের প্রতি। উত্তরে হযরত জিবরাঈল (আঃ) বললেন, আপনি সঠিক কথা বলেছেন। তাহলে আমরা বুঝতে পারি ঈমান হলো এ ৬টা জিনিসের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা যেভাবে কোরআন ও সুন্নাহ আমাদেরকে বিশ্বাস স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছে। (অসমাপ্ত)

কেন দিনের বেলা রোজা রাখতে হয়?

মাওলানা কাসেম শরীফ

রোজা ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। মুসলমানদের আগে অন্য ধর্মেও রোজার বিধান ছিল। আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে ইরশাদ করেছেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন তোমাদের আগের লোকদের ওপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা (এ রোজার মাধ্যমে) মুত্তাকি (খোদাভীরু) হতে পারো।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ১৮৩)
এ আয়াত থেকে প্রমাণিত হয়, রোজা রাখার বিধান বহুকাল আগে থেকে প্রচলিত। বর্তমানেও বহু ধর্মে রোজার প্রথা ভিন্ন আঙ্গিকে চালু আছে। প্রশ্ন হলো, ইসলামে কেন দিনের বেলা রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে? এর জবাব হলো, বেঁচে থাকার তাগিদে সম্পূর্ণরূপে পানাহার বর্জন করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই কেবল দিনের বেলা রোজা রাখতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে আরামদায়ক রাতকে আরামের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কেননা রাতের সৃষ্টি হয়েছে আরাম ও বিশ্রামের জন্য। আবার রোজা সব মানুষের ওপর ফরজ নয়। শিশুদের রোজার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। অক্ষম-বৃদ্ধদের জন্যও ‘ফিদয়া’র অবকাশ রাখা হয়েছে। মুসাফির, অসুস্থ ও সন্তান প্রসব, স্তন্যদান ও ঋতুকালে নারীদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। সাময়িক অসুবিধা দূর হওয়ার পর তাদের জন্য এ রোজা কাজা রাখার বিধান দেওয়া হয়েছে।
রমজান মাস নির্ধারণের ক্ষেত্রে সৌরপঞ্জিকার স্থলে চন্দ্রপঞ্জিকা গ্রহণ করা হয়েছে। এর সুবিধা হলো, সৌর হিসেবে মৌসুমের পরিবর্তন ও ঋতুর পালাবদল হয় না। তেমনি এর দিন-রাতের আকারেও বিশেষ কোনো পরিবর্তন বা ব্যত্যয় দেখা যায় না। তাই সৌরবর্ষের হিসাবে রোজা পালন করতে গিয়ে কোনো দেশে গ্রীষ্মকালে রোজা পালন করা হলে, সেখানে সর্বদাই রমজান আসত গ্রীষ্মকালে, কোথাও শীতকালে রমজান হলে সব সময় তা শীতকালেই আসত। চান্দ্রমাস এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এর মৌসুম বছরে বছরে বদলাতে থাকে। দিন-রাতের আয়তনও কম-বেশি হয়। এভাবে রোজার মাস দেশে দেশে বছরভেদে প্রতি ঋতুতেই আগমন করে। ফলে সবাই গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত কিংবা বড় ও ছোট আকারের দিনে রোজা রাখার সুযোগ পায়।

দোয়ারাবাজারে উদ্বোধনের আগেই ব্রীজে ফাটল

দোয়ারাবাজার থেকে থেকে সংবাদদাতা :
দোয়ারাবাজার উপজেলার বোগলাবাজার ইউনিয়নের চান্দেরঘাট গ্রামে মরা খাসিয়ামারা খালের উপর নির্মিত ব্রীজটি উদ্বোধনের আগেই বড় ধরণের ফাটল দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি ওই নদীর উপর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আওতাধীন ২৮ লাখ টাকা ব্যায়ে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্য ব্রীজটি নির্মাণ বিস্তারিত

বিএনপি লুটপাট ভালো জানে – প্রধানমন্ত্রী

কাজিরবাজার ডেস্ক :
সরকারের উন্নয়নের কারণেই খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এই ভোটটা এসেছে মূলত বিস্তারিত

পরীক্ষার্থীদের উপর থেকে চাপ কমাতে ॥ জেএসসিতে পরীক্ষা ও নম্বর কমানোর উদ্যোগ

কাজিরবাজার ডেস্ক :
শিক্ষার্থীদের পড়ার চাপ কমাতে শিক্ষাবিদদের পরামর্শের পর এ বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে অষ্টম শ্রেণি শেষে নেয়া পরীক্ষা জেএসসি এবং মাদ্রাসায় জেডিসিতে পরীক্ষা কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কমানো হবে নম্বর। বিস্তারিত

চাকরি বাজারে বিদেশি নিয়োগ ঠেকাতে কারিগরি শিক্ষায় জোর দিতে হবে – শিক্ষামন্ত্রী

কাজিরবাজার ডেস্ক :
বাংলাদেশে চাকরিবাজারে বিদেশিদের যেন নিয়োগ দিতে না হয়, সে জন্য কারিগরি শিক্ষায় জোর দিতে চায় সরকার। ব্যবসায়ীয়দের সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি আশা করছেন, দক্ষ জনশক্তি পেলে বিদেশিদেরকে আর নিয়োগ দিতে হবে না। বিস্তারিত

শেষ ম্যাচে হেরে বিদায় মুম্বাইয়ের

স্পোর্টস ডেস্ক :
ডু অর ডাই ম্যাচে দিল্লির কাছে ১১ রানে হেরে গেল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। এই হারে প্লে অফে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের। রবিবার নিজেদের শেষ ম্যাচে মোস্তাফিজকে অবশ্য একাদশে রেখেছিল মুম্বাই। কিন্তু ৭ ম্যাচ পর মাঠে নেমে হতাশ করেছেন বিস্তারিত