পুরাতন সংবাদ: April 14th, 2018

বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব

আল-আমিন

মাঠ-ঘাট চৌচির করে চারদিকে ঝড় বৃষ্টি নিয়ে হাজির হয় বৈশাখ। কারো বুঝতে অসুবিধা হয় না বৈশাখের প্রলয় নৃত্যের কথা। মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা। নতুন বছরের শুরুর লগ্নে ধুয়ে মুছে পবিত্র হোক ধরণী, কবিগুরুর এমন আকুতি আমাদের বাঙালি সত্ত্বাকে প্রতি বছর নিয়ে যায় ঐতিহ্যের দিকে। পহেলা বৈশাখ উদযাপন আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রবাহকে বাঁচিয়ে রাখে। পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের সবচেড়ে বড় সার্বজনীন উৎসব। এদিন সবাই পেছনে ফেলে আসা শোক, দুঃখ, হতাশা সবকিছু ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়ে প্রত্যাশা করে আসন্ন বছর যেন হয় সুখের, সবকিছু যেন হয় সৌন্দর্যময়।
২.
বাংলা নববর্ষ, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও বিজয় দিবস বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হয়। একুশে ফেব্র“য়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালনের সঙ্গে রয়েছে আমাদের জাতিসত্ত্বার পরিচয় এবং স্বতন্ত্র জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রাজনৈতিক সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের ইতিহাস। পহেলা বৈশাখ নববর্ষ পালনের পেছনে রয়েছে আমাদের হাজার বছরের লোক সংস্কৃতি ও লোক ঐতিহ্যের পুনরুজ্জীবন এবং অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক বাঙালি সংস্কৃতির পুননির্মাণের প্রয়াস।
পাকিস্তানি শাসকরা বাংলা নববর্ষকে কোনোদিন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়নি। বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে তারা মনে করেছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব। বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে শহর এবং গ্রামে মেলা ও অন্যান্য আনন্দ উৎসব হয়। শুভদিন হিসেবে দিনটিতে ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের হিসাবের খাতা চালু করেন। পহেলা বৈশাখকে ‘হালখাতা’ খোলার দিন হিসেবেও পরিচিত।বাংলা নববর্ষের সাথে আমাদের গ্রামীণ জীবন, লোক উৎসব এবং গ্রামীণ নানা খেলা দাড়িয়াবান্ধা, কাবাডি, গোল্লাছুট, জারিগান, সারিগান, ভাটিয়ালি গান, বাউল গান এবং বাঙালির সংস্কৃতি পুতুল নাচ, পান্তা ইলিশের বৈশাখী মেলা হয়। বাংলা নববর্ষের দিনটি কখনো কোনো ধর্মের ধর্মীয় উৎসবের দিন ছিল না, বাংলা নববর্ষ সর্বজনীন বর্ষবরণের দিন ছিল।
৩.
বাঙালির নববর্ষ পালন, বাংলা নববর্ষকে বাঙালির স্বতন্ত্র জীবনধারাকে জঙ্গিবাদ এবং মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের হাতিয়ার এবং আধুনিক নাগরিক জীবনে নববর্ষ পালন জাতীয় গৌরববোধের। পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা সর্বজনীন বিশাল জাতীয় উৎসবে পরিণত করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে লক্ষ লক্ষ নারী-পুরুষ, শিশু, কিশোর-কিশোরী, তরুণ তরুণী এবং সবধর্মের মানুষের সমাবেশ ও সর্বজনীন উৎসব। বাংলা নববর্ষ শহর ছাড়িয়ে এখন দেশের সর্বত্র, গ্রাম-গঞ্জ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজনের ভেতর দিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান পালিত হয়। স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পহেলা বৈশাখের দিন জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেন। এখন বাঙালির আত্মপরিচয় ও অসাম্প্রদায়িক জাতীয় উৎসব হিসেবে পহেলা বৈশাখ, বিশেষত বাংলাদেশে নতুন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।
৪.
পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের বাঙালির শ্রেষ্ঠ চিরায়ত জাতীয় উৎসব। আর এ কারণে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী শক্তিগুলোর বর্ষবরণ উৎসবকে টার্গেটে করে রমনার বটমূলের ছায়ানটের অনুষ্ঠানে বোমাবর্ষণ করে প্রাণহানি ঘটিয়েছিল। কিন্তু জঙ্গি-মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর এই হিংস্র আক্রমণ পহেলা বৈশাখ নববর্ষ পালনকে বন্ধ করতে পারেনি। বরং মানুষের অংশগ্রহণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে এই উৎসব। পহেলা বৈশাখ নববর্ষ উদযাপন কোনো রাষ্ট্রীয় আদেশ-নির্দেশ বা অর্থানুকূল্যের ওপর নির্ভর করে না। একুশে ফেব্র“য়ারি যেমন ভাষা শহিদদের আত্মদানের ভেতর দিয়ে বাঙালির সর্বজনীন শোক ও গৌরবের দিন হিসেবে পালিত হয় তেমনি পহেলা বৈশাখও বাংলার সংস্কৃতি বাঙালির উৎসবে পরিণত হয়।
বাংলা নববর্ষের সংগীত, নৃত্য, সাহিত্য, নাট্য, সামাজিক সম্পর্ক, ইত্যাদি অভিব্যক্তি করে সংস্কৃতি। মানুষের সার্বিক জীবনকে নিয়েই সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। প্রত্যেক শিশুই সর্বপ্রথম তার সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয় পরিবার থেকে। পর্যায়ক্রমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ, রাষ্ট্র থেকে। কিন্তু প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের সংস্কৃতি আজ হুমকির মুখে। বাংলা সংস্কৃতির চর্চা থেকে দূরে সরে যেন না যায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম। তরুণ প্রজন্ম যেন বাংলায় ভালো করে কথা বলে, বাংলা উচ্চারণ ভালো জানে, বাংলা গান শোনে। তাদের পোশাকেও যেন দেশের সংস্কৃতির ছোঁয়া দেখা যায়। যেন পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ছায়া আমলে না নেয়। বাংলা সংস্কৃতিকে বিদায় জানিয়ে ভিনদেশি সংস্কৃতি চর্চাতেই অভ্যস্ত না হয়ে তরুণদের দেশি সংস্কৃতির বন্দনা বাঙালিয়ানা উৎসবে পরিণত হোক। পুরো একদিনের জন্য আমরা সবাই যেন মনে-প্রাণে বাঙালি না হই।
৫.
বৈশাখ উদযাপনে প্রাণের সাড়া দিয়ে হৃদয়ের টানে ছুটে এসে এ দেশ, এ মাটি ও এ বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং বাংলা সংস্কৃতিকে ধরে রাখা ও তার বিকাশে তরুণ প্রজন্মে কে অবদান রাখতে হবে। বাংলা সংস্কৃতির উন্নতি জন্য, নতুন প্রজন্মের কাছে বারংবার তুলে ধরতে হবে। বাংলাকে সাজাতে হবে, আত্মস্থ করতে হবে এবং সেভাবেই নতুন প্রজন্মের কাছে তা উপস্থাপন করতে হবে। বাংলা নববর্ষের হাজারও মানুষের এ মিলনমেলাকে ছোট করে দেখার কোনো কারণ নেই। এখান থেকেই বীজ বপন করতে হবে বাংলা সংস্কৃতি কে ভালোবাসার। তবেই প্রকৃত প্রাণের স্পন্দন মেলানো যাবে প্রাণের মেলায়, জনতার এই ঢল আর এ উৎসব শুভ-সুন্দর ও কল্যাণময় হোক।
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।

নতুন সনে

হাজেরা সুলতানা হাসি

বিদায় নিলো একটি বছর
আসলো নববর্ষ
দূর হোক মন থেকে সব
দুঃখ সংঘর্ষ।

নতুন সনে নতুন করে
এসো শপথ করি
প্রভুর দেওয়া বিধানমতে
জীবনটাকে গড়ি।

নতুন সনে আনন্দ মনে
শুভেচ্ছা তোমাদের জানাই
এসো নতুনত্বে নতুন করে
মনটাকে রাঙাই।

 

নববর্ষ

আয়েশা সিদ্দিকা আতিকা

পুরাতন সব ঝেড়ে ফেলি
আসল নব দিন
মুছে ফেলি কষ্ট দু:খ
হোক সব বিলীন

আজ থেকে নতুন করে
চলার পথ হোক
শান্তির পায়রা আবারো
সবার ঘরে আসুক

দিনটা শুরু কর তবে
শুনে আজানের সুর
নামাজ শেষে তেলাওয়াতে
কাটুক প্রতি ভোর

নব জীবনের ন্যায় তোমার
মন হবে প্রস্ফুটিত
আঁধার সব দূর হয়ে
হবে ধরা আলোকিত।

নতুন দিনের নতুন আভায়
পালাক সব কালো
সবার মনটা যাক ভরে
নিয়ে পবিত্র আলো।

পয়লা বোশেখ

আবু আফজাল মোহাঃ সালেহ

নানান সাজে শহর গ্রামে
পয়লা বোশেখ সাজে,
চারিদিকে উৎসব আমেজ
বাদ্যি বাজনা বাজে।

হাটতলায় আর বটতলাতে
ঘুড়ি বেলুন উড়বে,
মিঠাই মুখে খোকাখুকি
নাগরদোলায় চড়বে!

পহেলা বৈশাখ

রমজান আলী রনি

নতুন জামা নতুন শাড়ি
পরছে জনে-জনে
বৈশাখের এই খুশির দিনে
মিলে সবার-সনে।

মেলায়-মেলায় কতশত
চলছে আয়োজন
বটেরমূলে ছায়ানটে
সবার প্রিয়জন।

বাংলা গানে নগর-বন্দর
পেলো নতুন প্রাণ
বৈশাখের এই প্রথম দিনে
ছড়ায় ফুলের ঘ্রাণ।

 

বৈশাখে

আতিক আজিজ

বৈশাখে নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে জারুল।
স্তুপীকৃত রক্তের করালে
গতরাতে আমরা সবাই গোসল করেছি

শিমুল ফুলে
শকুনেরা রেখেছিল
ঠোঁট
ঢোল বাঁজাও
হাত মেলে হলুদ করে তোলো আঙ্গুল

বৈশাখে নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে
উঠোনো তেতো লাউ।

বাতাস ঘুমিয়ে পড়েছে

শাহরুবা চৌধুরী

পাহাড় ঘুরে বাতাস এসে ঘুমিয়ে পড়েছে
ফ্ল্যাটের বারান্দায়। ধ্যানমগ্ন ঋষিরা তাকিয়ে দেখেন
শুকিয়ে যাওয়া নদী থেকে মাছগুলো কিভাবে
উড়ে যাচ্ছে মেঘের সন্ধানে।

দল বদলে ইঁদুর-দৌড়ে টুপির মাথায় টিকে বেঁধে
এক পা শূন্যে তুলে দাঁড়িয়ে রয়েছে কয়েকটি বক
অনেকটা মন্দির মসজিদের পথে
হাত পেতে গান গাওয়া ভিক্ষুকের মতো।

 

গরম

সাজ্জাদ হোসেন সিয়াম

মশার জ্বালায় ঘুম আসে না
তার উপরে গরম!
সত্যি বোধ হয় বাঁচব না আর-
অবস্থা ভাই চরম।

ফ্যানটা ঘোরে সারাবেলা
একটু বিরাম নাই,
লোডশেডিং-এ ঘোরে না তাই
পাখার বাতাস খাই।

গরম-গরম সবই ভালো
নয়তো গ্রীষ্মকাল?
তীব্র গরম ভাল্লাগে না
ভীষণ যে তার ঝাল!

শুভ হউক নববর্ষ

জীর্ণ পুরাতন ভেসে যায়। আসে নতুনের আবাহন। ধ্বনিত হয়, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা।’ চিরায়ত বাঙালীর জীবনের এক প্রাণস্পর্শী দিনের শুরু আজ ভোরের সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে। নতুনের কেতন উড়িয়ে বৈশাখ দেয় ডাক, খোলো খোলো দ্বার। বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল সবখানেই চির নতুনের আবাহন জেগে উঠছে ভোরের রাঙা সূর্যালোকে। বিদায় নিয়েছে পুরনো বছর ১৪২৪। এসেছে নতুন বছর ১৪২৫। বাঙালীর নববর্ষ। এবারের নববর্ষ এক নয়া বাস্তবতায় এসেছে। বাংলাদেশের রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করার যে হীন চক্রান্ত চলে বিদায়ী বছরে, তাকে মোকাবেলা করে এগোতে হবে নববর্ষে। নতুন বর্ষ এসেছে ধ্বংসের বিপরীতে সৃজনের গান নিয়ে। নববর্ষের এ দিনটাকে বাঙালী জাতি অর্জন করেছে প্রতিকূল পরিস্থিতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে। আর স্বাধীন স্বদেশে বৈশাখীর আবাহনের অনুষ্ঠানে গ্রেনেড হামলায় বহু মানুষকে হতাহত করেছিল জঙ্গীরা।
স্বাগত নববর্ষ, ১৪২৫। আবহমানকাল ধরে বাঙালীর প্রিয় দিন। নববর্ষ হোক উত্থানের। নতুন বর্ষে জঙ্গীবাদ সন্ত্রাসবাদ হোক নির্মূল। নাশকতা, সহিংসতা হোক বন্ধ। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হোক সম্পন্ন। স্বদেশ হোক নৈরাজ্যমুক্ত। পহেলা বৈশাখ বাঙালীর নববর্ষ। বৈশাখ বাঙালীর জীবনে কী গ্রামে কী শহরে এক নতুন সমারোহ নিয়ে আসে। হালখাতার পাতা খুলে যেমন তার বাণিজ্যের পুণ্যাহ উৎসব, তেমনি সাধারণ জীবনযাত্রায়ও একটা প্রাণচাঞ্চল্যÑ ধ্বনিত হয় ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা,/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা।’
বৈশাখ মানে গ্রীষ্ম ঋতুর শুরু। উজ্জ্বল রৌদ্রময় দিন। তেমনি আবার কালবৈশাখীর ভয়াল রূপ। জীবন সংগ্রামের দীক্ষা লাভের নানা রূপের সংমিশ্রণ নববর্ষের সূচনালগ্ন। এই সূচনালগ্নে নতুন ভাবনা-চিন্তায় কতটা এগিয়েছি আমরা তারও খতিয়ান করা দরকার। নতুন বছরে পদার্পণ। এর অর্থই হলো নতুনের সঙ্গী হওয়া। সামনের দিনগুলোকে বিনির্মাণের তাগিদ। আমাদের উদ্যম, আমাদের অধ্যবসায় সব নিয়োজিত হোক জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্যে। উৎসবের আনন্দ নতুন সঙ্কল্পে দীক্ষিত জাতির ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় নতুন শক্তির প্রেরণা হোক। এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। গত বাংলা বছরটিতে দেশ এগিয়েছে নানা ক্ষেত্রে। সব মিলিয়ে বলা যায় সরকার সফলতার একটি বছর পার করল। তবে সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব-নিকাশ করলে ১৪২৪ সালটি সরকারের সফলতার পাল্লাই ভারি।
বাংলা নববর্ষ সুর সঙ্গীতের, মেলা-মিলনের, আনন্দ ও উৎসবের, সাহস ও সঙ্কল্পের প্রেরণা জোগায়। দুঃখ-গ্লানি, অতীতের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে তাই এগিয়ে যাওয়ার শপথ নেয়ার দিনও পহেলা বৈশাখ। দেশের কল্যাণে সবাই এক কাতারে শামিল হয়ে এগিয়ে যাওয়ার অগ্নিশপথ নেয়ার দিনও এটি। পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনেও বৈশাখের চেতনায় সবাই উজ্জীবিত হোক। নতুন ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে সবাই উদীপ্ত হোক। সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা। স্বাগতম ১৪২৫।