পুরাতন সংবাদ: January 2018

হাতে হাতে বই, বিশ্বনাথে শিক্ষার্থীদের আনন্দ উল্লাস

বিশ্বনাথ থেকে সংবাদদাতা :
বিশ্বনাথে দিনব্যাপী ১৮২টি প্রাথমিক ও ৩২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ৩ লাখ বই বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১টায় স্থানীয় রামসুন্দর অগ্রগামী উচ্চ বিদ্যালয়ে বই বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাবেক এমপি ও সিলেট বিস্তারিত

অনলাইন প্রেসক্লাব নির্বাচন ॥ মনোনয়ন ফরম নিলেন যারা

সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে প্রার্থীরা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। প্রেসক্লাবের ১১ টি পদে ১৫জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচন বিস্তারিত

বিয়ানীবাজারে ১৫শ পরিবারে এখনো বিদ্যুতের আলো জ্বলেনি!

বিয়ানীবাজার থেকে সংবাদদাতা :
বিয়ানীবাজার উপজেলার প্রায় ১৫ শত পরিবারে এখনো বিদ্যুতের আলো জ্বলেনি। এ জনগোষ্ঠী শুধু বিদ্যুৎ বঞ্চিত নয়, প্রতারণারও শিকার। বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার নামে প্রবাসী অধ্যুষিত এ এলাকা থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে লাখ লাখ টাকা। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের প্রচেষ্টায় বিস্তারিত

বাহুবলে পিকআপ ভ্যান-বাস সংঘর্ষে নিহত ৪

হবিগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা :
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় পিকআপ ভ্যান ও বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে উপজেলার পুটিজুরীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার মুদাহরপুর গ্রামের তোফান আলীর ছেলে শাহিন বিস্তারিত

মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করুন

জেএসসি, জেডিসি, পিইসি ও ইবতেদায়ির ফল প্রকাশিত হয়েছে গত শনিবার। ফল বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এবার চারটি পরীক্ষাতেই ফল নিম্নগামী।
কুমিল্লায় জেএসসির ফল বিপর্যয় ঘটেছে। ইংরেজি ও গণিতে খারাপ করেছে শিক্ষার্থীরা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফল সবচেয়ে খারাপ। অবশ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ফলের ভেতর দিয়ে দেশের শিক্ষার আসল চিত্রটিই ফুটে উঠেছে। আগামী দিনে পাসের হার কমলেও সেটাই যথাযথ ফল হবে বলে তাঁরা মনে করছেন। প্রকাশিত খবরে বলা হচ্ছে, আগে যে উদারনীতিতে খাতা দেখা হতো, তা এবার হয়নি। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, সরকারের প্রথম চেষ্টা ছিল শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করা ও ধরে রাখা। তাতে সাফল্য এসেছে। এখন গুণগত মানের দিকে নজর দিতে হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেছেন, স্কুলগুলোতে সঠিকভাবে পড়াশোনা হচ্ছে কি না সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়া জরুরি।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হয়েছে। এখন বছরের প্রথম দিন থেকেই শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেওয়া হয়। দেশজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে বই উৎসব। প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে শিক্ষাপঞ্জিও। তার পরও কেন খারাপ ফল হচ্ছে? প্রথমত বলা চলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর দুটি সমাপনী পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে একধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতাও শুরু হয়েছে। খুব কাছাকাছি সময়ে দুটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় লেখাপড়া জ্ঞাননির্ভর হচ্ছে নাকি সনদমুখী হয়ে পড়ছে, সে বিষয়টিও বিবেচনা করা দরকার। সবচেয়ে বড় কথা, বিষয়ভিত্তিক যোগ্য শিক্ষক কি শ্রেণিকক্ষে নিশ্চিত করতে পেরেছি আমরা? যোগ্য শিক্ষক থাকলে এবার চারটি পরীক্ষাতেই গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীরা খারাপ করল কেন? আজকের বাস্তবতায় আমরা দেখতে পাই, শিক্ষার্থীরা দিনে দিনে কোচিং ও গাইড বইনির্ভর হয়ে পড়ছে। নির্ভর করছে মুখস্থবিদ্যার ওপর। তাদের সৃজনশীল বুদ্ধিবৃত্তি কাজে লাগানোর কোনো চেষ্টা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় আছে বলে মনে হয় না। দেশের প্রতিটি স্কুলে দক্ষ, যোগ্য ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীরা অবশ্যই যোগ্য হয়ে গড়ে উঠবে।
দেশের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এখনই ভাবতে হবে। সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। প্রশিক্ষিত ও যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। দেশের সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে উন্নত পরিবেশ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। প্রশিক্ষিত শিক্ষক যেমন শিক্ষার্থীদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে পারবেন, তেমনটি অন্য কারো দ্বারা সম্ভব নয়। মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে তাই এখনই দৃষ্টি দিতে হবে।