বিভাগ: সাহিত্য

পেঁয়াজের ভালো থাকা

উত্তম চক্রবর্তী

সকাল বেলা রেগে আছে
ঝগড়াঝাঁটি হয়ে।
তাইতো প্রিয়া ফোন ধরেনা
ফোনের কাছে গিয়ে।

মনে মনে বসে ভাবে
ঠিক হলনা তাতে।
সারাদিনটি কাটবে কেমন
নিঃসঙ্গতার সাথে।

নাওয়া খাওয়া ঠিক হবেনা
আজকে সারাদিনে।
কত প্রশ্নের আনাগোনা
মনের মাঝে ঘিরে।

ঠিক হবেনা সকালবেলা
ঝগড়াঝাঁটি করে।
সারাবেলা নষ্ট হয় যে
মনে কষ্টের তরে।

আসুক তবে প্রিয়া আমার
ফয়সালাতে হবে।
ভালো থাকার মন্ত্রণাতে
থাকতে হবে তবে।

 

বেদনার মিছিল

খন্দকার কাজল

বুকের ক্ষতটা অবিরাম বাড়ছে তিলে তিলে
হৃদয়ে তোলপাড় অভিমানের মিছিলে,
একাকীত্ব প্রতিনিয়ত খাচ্ছে আমায় গিলে
জানোনা, তুমি আমার জন্য কি ছিলে?
এখনো লুকোচুরি খেলি মেঘের ফসিলে
স্বপ্নগুলো এখনো সব তুমি-আমি মিলে,
অশ্র“ ঝরে পড়ে পুরনো স্মৃতিদের ঘষিলে
তোমার কাছে শুধু রয়ে গেলাম বাতিলে।
কেন? তুমি এমন করে আমায় দংশিলে,
আমি এখন পরিণত হয়েছি ডানা ভাঙা চিলে।
কতটুকু? বলো, তুমি আমায় দিলে
সবটুকু তো শুধু ইচ্ছেমত কেড়ে নিলে,
স্বপ্ন তুমি উড়াও এখন আকাশের নীলে
আমার টা ছিল দুঃস্বপ্ন, আছি বড় মুশকিলে।।

হারিয়ে গেছে

মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম

স্মৃতির মাঝে ভেসে উঠে আগের দিনের কথা
অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে মনে লাগে ব্যথা
হারিয়ে গেছে পুকুর নদী হারিয়েছে স্নান ঘাট
হারিয়ে গেছে গায়ের বাঁকে বিশাল বড় মাঠ।

ভোর বিহানের গাঁয়ের দৃশ্য হারিয়ে গেছে কখন
কৃষক ছুটছে লাঙ্গল কাঁধে যায় না দেখা এখন
হারিয়ে গেছে গাছগাছালি পাখপাখালির গান
হারিয়ে গেছে ফুলের বাগান হারিয়েছে সুঘ্রাণ।

রাখালেরা হারিয়ে গেছে হারিয়েছে তার সুর
পাখির গানে হয়না এখন ঘুম ভাঙ্গানি ভোর
গায়ের মাঝে হয়না এখন নাগরদোলা মেলা
হয়না এখন ওপারএপার প্রীতিমেচের খেলা।

 

দুটি মন খোঁজে

শম্পা ঘোষ
গুণগুণ গান গাওয়া
মাটির উপর আঁকিবুকি
গাছের ডাল ধরে ঝোলা
ঘাসের শিষ চিবোতে থাকি।

নদীর পাড়ে বালুকাবেলা
অথবা কোনো ফুলের বাগান
শুকনো পাতায় উষ্ণ চিঠি
কিভাবে তুমি দিয়েছো জোগান।

জানালার ধারে ট্রেনে বসা
ঝালমুড়ি আর কাঠিভাজা
পকেটে সামান্য কড়ি
প্রেমটি ছিলো ভেজা ভেজা।

সিনেমাহলে পাশাপাশি
পর্দায় দেখি ডিম্পল-ঋষি
ভাবছি যেন আমরা দুজন
একই ঘরে বন্দী আছি।

কাটলেট আর কবিরাজি
রেস্তোরাঁ কিংবা ক্যাফে
বিভোর হতাম চারটি চোখে
ঠোঁট দুটো যে বড্ড কাঁপে।

গোলাপী রঙের শিফন শাড়ি
দেখে তুমি মুগ্ধ হতে
তারিফ করতে কানেকানে
হাতটি যেন কখন ছুঁতে।

সাদা পাঞ্জাবী তোমার গায়ে
যাদুর ছোঁয়া ছিল তাতে
ঠিক যেন স্বপ্নে দেখা
পুরুষটি আমার সাথে।

হাঁটতে হাঁটতে এগিয়ে যেতাম
নির্জন কোনো জনপথে
হাজার কথা ভাসতো মুখে
কিছু বলতে পারা কিছু স্তব্ধ থাকে।

ভবিষ্যতের কথা নেইকো জানা
সঙ্গ সময় খুশি যত
মুক্ত আকাশে উড়ায় ডানা
আনন্দ পাওয়া পাখির মত।
সবার চোখে পড়ল ধরা
প্রেমের এই লুকোচুরি
বাড়ির লোকে ভেবেই মরে
কে সইবে এই ঝকমারি?

কৈফিয়ত তো দিতেই হবে
ভালোবাসা দুটি মনে
দোষ করিনি অপরাধের
অবাক হলো সবাই শুনে।

শুভক্ষণ, শুভদৃষ্টি, মালাবদল, অগ্নিসাক্ষী
আবার শুরু হলো কথা বলা
চারটি পা এগিয়ে দিলাম
নতুন জীবনে পথ চলা।

কেমন হতো তুমি যদি

ছোটন হালদার

কেমন হতো,
তুমি যদি ফুল হতে
এক সন্ধ্যায় সুগন্ধ দিয়ে
ঝরে যেতে, রয়ে যেতে
ক্ষণিকের তরে
এই পৃথিবীতে।

কেমন হতো,
তুমি যদি মেঘ হতে
এক পশলা বৃষ্টি হয়ে
ফুরিয়ে যেতে
হারিয়ে যেতে এই ধরাতে।

কেমন হতো,
তুমি যদি চন্দ্র হতে
শুধু রাতের আকাশে এসে
আমার ঘুম গুলি কেড়ে
ভরিয়ে দিতে তোমার বিভোরে।
আর তুমি থেকে যেতে বহু দূরে ,
কালান্তর ধরে।

কেমন হতো,
তুমি যদি স্বপ্ন হতে
রয়ে যেতে আঁধার রাতে,
আমার দুচোখের পাতাতে।

 

সিলেট সিক্সার্স

জালাল জয়

ব্যাটে বলে ছয়
নেই কোন ভয়
হবে হবে জয়
ভেঙে পরাজয়

মারো বিগ ছয় চার
সিলেট সিক্সার্স
হই হই হুল্লোড়
দুয়ে দুয়ে চার

সিলেট সিক্সার্স
মারো বিগ ছয় চার

আজ কোন কথা নয়
শুধু চাই জয়
ব্যাটে বলে চার ছয়
ভেঙে পরাজয়

গর্জে ওঠো দামাল ছেলে
¯্রােতে সুরমায় এলো চলে
হইহই রইরই
ছক্কা মামা গেলো কই
ধিনধিনাধিন ধিনধিন ধা

অই ,
ব্যাটে বলে ছয়
নেই কোন ভয়
হবে হবে জয়
হবে নিশ্চয়

কীনব্রীজে জ্বলবে
তারার ঝিলিক
জয়ে জয়ে ভাসবে
আজ চারিদিক

ধিনধিনাধিন ধিনধিন ধা
পরাজয় তুই উড়ে যা।

লাগলে বাড়ি বাউন্ডারি

তারেক লিমন

লাগলে বাড়ি বাউন্ডারি
সামলাও এবার ঠ্যালা
আমরার সিলট বইছে দেখো
বিপিএলের খেলা গো
আমরা সিলট বইছে দেখো
বিপিএলের খেলা,

সিলটিদের হাতের তালি
সুরমা সিক্সার্স শক্তিশালি
বিপিএলের উন্মাদনায়
যাইবো মজায় বেলা গো
আমরা সিলট বইছে দেখো
বিপিএলের খেলা,

দেশ বিদেশর খেলোয়াড়
মারবো বড় ছক্কা চার
বিপিএলে ধন্য হইছে
আমরার সিলেট জেলা গো
আমার সিলট বইছে দেখো
বিপিএলের খেলা,

সিলটিদের মনে সুখ
শিরোপায় হক্কলর চোখ
এই সিলটি খেলবো দেইখো
শেষ ফাইনালে খেলা গো
আমরা সিলট বইছে দেখো
বিপিএলের খেলা……।।

আহত প্রেম

॥ আবু মালিহা ॥
(১)
সবুজ শ্যামল গ্রাম। পাশেই বয়ে চলেছে ছোট্ট নদী। নামটি তাড়িনী। ডিঙ্গি নায়ের দোলায় তরঙ্গে আরও নাচন দিয়ে ছুটে চলে। ছোট ছোট এসব ডিঙ্গি নায়ে অনেকেই তাদের সখ আর আনন্দের খেলায় উদ্দীপনা জাগায়। গ্রামের পুরো এলাকার চঞ্চল বালক বালিকারা জলাঙ্গীর ঢেউয়ে আছড়ে পড়ে উন্মত্ত কোলাহলে। নয়নাভিরাম উচ্ছলতায় মন প্রাণ জুড়িয়ে যায় প্রকৃতির নৈসর্গিক পরিবেশে। নদীর দু’পাশেই ছোট ছোট কুঁড়েঘর ও ডোল পাতায় ছাওয়া ছোট্ট কুটিরগুলো ছবির মতন ফুটে উঠেছে আকাশ গাঙের নীচে। অপরূপ! নয়নজুড়ানো মুগ্ধতা আর প্রকৃতির আনন্দ বিলাস মনের ভিতর নব তরঙ্গের ঢেউ জাগিয়ে দেয় তাড়িনীর ছুটে চলার ছলাৎ ছলাৎ শব্দে। এ যেন চিরাচরিত গাঁ-গেরামের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক রূপ। এরই মাঝে ছোট্ট একটি গ্রাম। নাম দোলাপুর। বালক-বালিকাদের উচ্ছল আনন্দে সত্যিকার ভাবেই গ্রামটিকে দোলা দিয়ে যায়। আনন্দের বন্যা ছুটে চলে এ এলাকার সহজ সরল মানুষের দৈনন্দিন জীবনে।
দোলাপুরের একটি ছেলে। নাম শিশির। বাবা মিশির এবং মা তিশার আদরের নয়ন মনি। ছোটবেলা থেকেই স্নেহ আর আদর দিয়ে বড় করে তুলেছেন চোখে চোখে রাখা বাবা মায়ের এ শিশু সন্তানটি বেশ চটপটে ও প্রাণোচ্ছল। সর্বদা হাসি লেগেই থাকে তার চোখে মুখে। তার সহপাঠিরা তাকে কখনো ঝগড়াঝাটি বা দুষ্টমি করতে দেখেনি। তবে দৌঁড়ঝাঁপ এবং খেলাধূলায় বেশ দক্ষ। মা তার বরাবরই তাকে সাবধান থাকতে বলেন, বেশী দৌড়ঝাঁপ না করতে। শরীর খারাপ হবে, ব্যথা পাবে অথবা নদীতে পড়ে ডুবে যাবে ইত্যাদি বলে। কিশোর বয়স বলে কথা। বয়স তরঙ্গে সে কথা কে মানতে চায়। এই বয়সে যা চায় সেটা সব ছেলেমেয়েরাই করে। স্বাভাবিক ভাবেই দুরন্তপনা তাদের স্বভাব হয়ে পড়ে।
এমনি করে দিন চলছে। পাশের গ্রামেই আছে একটি স্কুল। তাতেই ভর্তি হতে হয় দু’তিন গ্রামের ছেলেমেয়েদের। কাছে আর কোথাও স্কুল বা মাদরাসা নেই। নন্দীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। বেলা ১০টায় স্কুল শুরু হয়। বিকেল ৩টায় শেষ হয়। ছুটির ঘন্টার পর স্কুলের আঙিনা গলিয়ে সবাই যার যার বাড়ীর দিকে রওয়ানা হয়। শিশিরের বয়স সবেমাত্র ৬তে পড়েছে। বাবা মা অনুভব করলেন ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাতে হবে। এখন তো শুধু খেলার বয়স। তবে স্কুলে ভর্তি করলে খেলাধূলাটা কমবে এবং পড়াশুনার দিকে মনেযোগী হবে। এই ভেবে ছেলেকে নিয়ে বাবা মিশির স্কুলে রওয়ানা দিলেন। একমাত্র ছেলে বড় হয়ে পরিবারের হাল ধরবে এই আশায় এখন থেকেই বাবা মা তার পড়াশুনার দিকে মনোযোগ দিলেন।
প্রায় ৩ মাইল পথ পাড়ি দিয়ে শিশিরকে নিয়ে বাবা মিশির নন্দীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এসে চারদিক তাকাতে লাগলেন। গ্রামীণ পরিবেশে স্কুলের আঙ্গিনা এবং লম্বা স্কুল ঘরটি আসলে খুবই সুন্দর। বিশ-পঁচিশ জন ছেলেমেয়ে দৌড়াদৌড়ি করছে। দশটায় ক্লাস শুরু হবে তাই তাদের ক্লাস শুরুর আগে খেলাধূলা করছে। বেশী সময় অপেক্ষা করতে হয়নি। পিয়ন এসে ঘন্টা বাজিয়ে ক্লাস শুরুর ঘোষণা দিয়ে গেল। স্কুলের প্রাঙ্গণ খুব মসৃণ নয় বলে আপাতত এসেম্বলী শুরু করা যায়নি। তবে কিছুদিনের মধ্যে সমতল করে শরীর চর্চার ক্লাসটিও চালু হয়ে যাবে বলে প্রধান শিক্ষক বললেন। ইতোমধ্যে প্রধান শিক্ষক জহুর আলীর সাথে কথা হয়েগেছে শিশিরের বাবা মিশির এর সাথে। খুব করে বললেন ছেলের ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের কথা। দূর গ্রাম থেকে এসে পড়াশুনা করা কষ্টকর বটে। তবুও তিনি তার ছেলেকে মানুষ করার জন্য প্রতিদিনই স্কুলে দিয়ে যাবেন বলে অঙ্গিকার করলেন। প্রধান শিক্ষক জহুর আলীর কথা শুনে খুব খুশি হলেন। তিনি তো চানই গ্রামের ছেলেমেয়েগুলো মানুষ হোক এবং উন্নত হোক গ্রামের চালচিত্র। অবহেলায় আর অনাদরে গ্রামগুলো পিছিয়ে না থাকে। যেখানে কবির ভাষায় গ্রামগুলো ‘শ্যামল ছায়ার শান্ত সুনিবিড়। ছোট ছোট গ্রামগুলো। হ্যাঁ তাই। তবে এখন আর গ্রামগুলো আগের মত নেই। গ্রামে যেন দিনে দিনে কুৎসিত মানুষগুলোর ভিড় বাড়ছে। সহজ সরল উদার মনের মানুষগুলো যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেলো। হিংসাত্মক মনোভাব একে অন্যের ক্ষতি সাধনে যেন এখন লিপ্ত। এবং হানা হানি মারামারি করে অশান্ত করে তুলছে কবিত্বের কল্পনার সেই ছায়া সুনিবিড় গ্রামগুলো। তবুও জহুর আলীর আশা একদিন আবারও গ্রামগুলো সুন্দর হবে। শিক্ষা-দীক্ষায় মানুষ বড় হয়ে গ্রামের চেহারা পাল্টে দিবে। সেই ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে তার এই প্রচেষ্টা। স্কুলকে সুন্দর করা। ছাত্রছাত্রী কালেকশন করা এবং তাদের শিক্ষা দিয়ে দেশের সফল এবং সার্থক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা। যাকে বলে মহৎ কাজ। নিজের স্বার্থ চিন্তাকে দূরে ঠেলে দিয়ে তার এই ব্রত। এভাবেই স্কুল কার্যক্রম চলছে। ৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষিকা, জহুর আলী প্রধান। অন্য দু’জন শিক্ষক এবং শিক্ষিকা। আরও একজন শিক্ষিকা যোগ দিবেন বলে আশা করছেন প্রধান শিক্ষক। আর তখনই ক্লাস মেনটেইন করতে আর কোন অসুবিধা হবে না। (অসমাপ্ত)

নির্লজ্জ

আইরিন আসাদ
আর কতোটা চোখের পানি ঝরালে
তুমি আমার হবে
আর কতোটা কষ্ট পেলে বিনা দোষে
তুমি আমার হবে।
আর কতোটা মানুষের চোখে নির্লজ্জ হলে
তুমি আমার হবে
আর কতোটা বছর অতিবাহিত করলে
তুমি আমার হবে।

 

বেশ বুঝেছি

সৈয়দ হিলাল সাইফ

এক।।
বেশ বুঝেছি

আমি তোমায় চিনি না?
চিনি, চিনি, বেশ-ই চিনি -একটা ছিনিমিনি না!

আমি তোমায় খুঁজি না?
খুঁজি, খুঁজি, ঠিকই খুঁজি -তফাৎ শুধু রূজিনা।

আমি তোমায় জানি না?
জানি, জানি, সবই জানি -বুঝে কাছে টানিনা।

আমি তোমায় দেখি না?
দেখি, দেখি, সবই দেখি -এসব নিয়ে লেখিনা।

আমি তোমায় শুনি না?
চিনি জানি শুনি বলে – স্বপ্নেও তা বুনিনা।

দুই।।
জিলিপির প্যাঁচ

তুই জিলিপির প্যাঁচ।
সোজাসাপ্টা কথা নিয়ে
লাগাবি ক্যাচ ক্যাচ!

তুই মজাদার বাটার।
তোর ছায়াতে ঠাঁই পেয়েছে
চোর ছ্যাচরা চাটার।

তুইযে ডিব্বা তৈলের।
মাজতে মাজতে উইঠা আসে
গোষ্ঠী সুদ্ধ মৈলের।

তুইযে গ্যাসের পাম্পার।
তর পালেতে লগছে হাওয়া
এক্কেবারে বাম্পার!

তিন।।
অন্ধবধির দল

ঘাড় ত্যাড়া ঘোঁৎ করে
ঘাতঘাতে ল্যাংড়া
কত্ব বড় কাম করচে
দেকচ কয়টা চ্যাংরা

ল্যাংড়া নেংটি দৌড়ে
হাঁকে কথা হাবারে
ঘাড় ত্যাড়া আজ খাবে
গালবরাবর থাবারে

শুনে যদি ট্যারাটা
সাথে থাকে লুলাও
আব্বে হালার ডেন্জার…