বিভাগ: ভেতরের পাতা

জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো বেগবান করতে হবে -শফি চৌধুরী

bnp picদক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ বলেছেন, জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আরো বেগবান করতে সকল নেতাকর্মীকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অপকর্মকান্ডে দেশের মানুষ আজ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মানুষ আর গণতন্ত্র চায় না। তিনি দেশ মাটি ও মানুষের স্বার্থে দেশ রক্ষার আন্দোলনে সকলকে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। বিস্তারিত

তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় ভীত সরকার – বদরুজ্জামান সেলিম

সিলেট মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব বদরুজ্জামান সেলিম বলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও পর্বতসম জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নব্য বাকশালী সরকার একের পর এক মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে চরম হীনমন্যতার পরিচয় দিচ্ছে। এ সরকার শুধু জিয়া পরিবারকে ধ্বংসের নীল নকশায় নয়, তাদের নগ্ন বিস্তারিত

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা :
দক্ষিণ সুনামগঞ্জে সিএলএস-এজলাস প্রজেক্টের আয়োজনে, এসিসট্যান্স ফর ¯¬াম ডুয়েলার্স (এএসডি)’র বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বুধবার দুপুরে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বর বিস্তারিত

কোম্পানীগঞ্জে তাফসীর মাহফিলে চরমোনাইর পীর ॥ শেখ মুজিবকে জঙ্গিবাদীরা হত্যা করেছে

চরমোনাইর পীর মুফতি হযরত মাওলানা রেজাউল করিম বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে জঙ্গিবাদীরা হত্যা করেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল তারাই জঙ্গিবাদী। এই নির্মম হত্যাকান্ডের সঙ্গে এদেশের কোন আলেম ও দেশপ্রেমিক কোন জনতা জড়িত ছিলেন না।  ইসলামে জঙ্গিবাদীদের স্থান নেই। তারপরও যারা আমাদেরকে বলে জঙ্গিবাদী বিস্তারিত

বাতিল শক্তির বিরুদ্ধে জমিয়তে উলামার নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে —————আল্লামা দুর্লভপুরী

কানাইঘাট থেকে সংবাদদাতা :
জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল্লামা শায়খে আলিম উদ্দিন দুর্লভপুরী বলেছেন, বাতিল শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জমিয়তে উলামার সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কাজ করে যেতে হবে। জমিয়তে উলামা প্রচলিত রাজনৈতিক শক্তির বাহিরে হক্কানী উলামায়ে কেরামে নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়ার মাধ্যমে ইসলামের মূল আকিদা বিশ্বাসের উপর অভিচল আস্থা ও বিস্তারিত

জিয়ার সৈনিকরা কখনো হারতে জানে না ——- শফি আহমদ চৌধুরী

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সিলেট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী বলেছেন, হামলা, মামলা ও নির্যাতন করে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে দমন করা যাবে না। জিয়ার সৈনিকরা কখনো হারতে জানে না। আন্দোলন সংগ্রামে সব সময় রাজপথে ছিল এবং থাকবে। দেশের মানুষ আজ স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার অপকর্মকান্ডে অশান্তিতে বিস্তারিত

সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে লতিফ সিদ্দিকীর ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে – আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী

DSC_1072ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী বলেছেন, আগামী সংসদে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে লতিফ সিদ্দিকীর ফাসি নিশ্চিত করতে হবে। লতিফ সিদ্দিকীর শাস্তি এখন সমগ্র ইসলাম প্রিয় জনতার প্রাণের দাবি। রাসূল (সা:) এর সম্মান রক্ষার্থে সিলেট সহ গোটা দেশের মানুষ শাহাদত বরণ করতে প্রস্তুত। গত ৫ ডিসেম্বর ঢাকার মহা সমাবেশ থেকে বিস্তারিত

দেশে ধনী-গরীবের বৈষম্য কমিয়ে আনতে রোটারিয়ানদের কাজ করতে হবে —- শফিক রেহমান

rot 01দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিক বিশিষ্ট টিভি ব্যক্তিত্ব শফিক রেহমান বলেছেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। অর্থনৈতিক যুদ্ধে বিজয়ী না হলে গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের সফলতা পাওয়া যাবে না। দেশের ধনী-গরীবের বৈষম্য বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বৈষম্য কমিয়ে আনতে রোটারিয়ানদের কাজ করতে হবে। বিস্তারিত

শিক্ষার সর্বোচ্চ মান অর্জনই আমাদের লক্ষ্য

নুরুল ইসলাম নাহিদ

১.    জনপ্রিয় লেখক, যারা চমৎকার করে যে কোনো বিষয়ে লিখেন, তাদের লেখা আমরা পাঠকরা দ্রুতই পড়ে ফেলতে চাই। তারা কঠিন কথাগুলোকে এত সহজ ও আকর্ষণীয় করে লিখেন, তা পাঠ করে আমরা সাধারণ পাঠকরা যেমন বিষয়টি বুঝতে পারি তেমনি আনন্দ পাই।
কিন্তু যারা লেখক না হয়েও কোনো সময় কোনো বিষয় পাঠকদের জানানোর জন্য লিখতে বাধ্য হন তখন যে কত কষ্ট হয়, তা বলারই অপেক্ষা রাখে না।
২.    গত ৫ ডিসেম্বর কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের একটি লেখা ছাপা হয়েছে। তিনি আমাদের শিক্ষা পরিবারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সদস্য, জ্ঞান-বিজ্ঞানে পারদর্শী ও দক্ষ যোগ্য শিক্ষক হিসেবে তিনি সকলের শ্রদ্ধার পাত্র। জনপ্রিয় লেখক। আমরা শিক্ষা পরিবার তার জন্য গৌরবান্বিত ও সম্মানিত। তার লেখাটি পড়ে আমি খুবই আনন্দিত ও উৎসাহিত হয়েছি। তিনি দেশের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, তা আমাদের মানুষকে বিশেষ করে আমাদের নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে এবং আরও আশাবাদী হয়ে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। আমি তাকে শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ জানাই।
৩.     তিনি যে সকল সমস্যার কথা বলেছেন, সেগুলো আমাদের বিশেষভাবে বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে দেখা জরুরি এবং দ্রুতই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া, ভুল-ত্র“টি শুধরে সঠিক পথে অগ্রসর হওয়া কর্তব্য। যে সকল বিষয় আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যে কোনোভাবে সম্পর্কিত সেগুলো নিয়ে শীঘ্রই আমার সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করবো এবং যথাসময় আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আলোচনা করব। প্রায় সকল গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও কাজের সাথে অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালসহ আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের সম্পৃক্ত করে আমরা তাদের পরামর্শ নিয়ে চলি। তারাও খোলামনে আমাদের পরামর্শ ও উপদেশ দেন এবং নিজেরাও কাজ করেন। অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতি, অন্যান্য নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তব কাজে অসামান্য অবদান রাখেন।
৪.    অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল তার প্রবন্ধের ৫নং বিষয়ে লিখেছেন- ‘জোট সরকার সরে যাওয়ার পর এই দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাটা বেশ ভালোভাবে শুরু হয়েছিল। পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের যে বিষয়গুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সেগুলো সঠিকভাবে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। শিক্ষানীতি করা হয়েছিল, সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল – সব মিলিয়ে দেশে শিক্ষা নিয়ে একটা উৎসবের ভাব ছিল। যখনই জরিপ করা হতো দেখা যেতো জনপ্রিয়তার শীর্ষে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী। আমি নিজেও পুরো বিষয়টা নিয়ে খুব উৎসাহী ছিলাম।’
এর পরবর্তী প্যারাগ্রাফ বা অনুচ্ছেদে লিখেছেন- ‘তারপর ধীরে ধীরে কোথায় জানি এই গোলমালটা শুরু হয়েছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে পুরো লেখাপড়ার বিষয়টিতে একটা গোঁজামিল দেওয়া শুরু হয়েছে। শিক্ষানীতিতে নেই তারপরও এই দেশের ছেলেমেয়েদের ওপর জোর করে বাড়তি পাবলিক পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে জন্য দিনরাত সবার কাছে গালাগালি শুনি, ছোট ছোট শিশুর বাবা-মায়েরা আমাকে অভিশাপ দেন। যদি এটা অনেক সুফল নিয়ে আসত তা হলে কেউ কিছু বলত না, সবাই মেনে নিত। কিন্তু তা ঘটেনি। বাড়তি পরীক্ষার চাপে ছোট শিশুদের জীবনের সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।
৫.    প্রবন্ধে তিনি আরও অনেক বিষয়ে সুন্দরভাবে লিখেছেন। শিশুরা স্কুলে আসছে, বিশাল সংখ্যক ছেলেমেয়েরা স্কুলে পড়ছে। ছেলেমেয়ে সমতা অর্জন হয়েছে। তিনি লিখেছেন- ‘আমাদের যে কী বিশাল একটা সম্ভাবনা একেবারে দরজায় কড়া নাড়ছে সেটি কী সবাই জানে?
‘শুধু কি তাই ? আমাদের এই ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ছেলে আর মেয়ের সংখ্যা সমান। লেখাপড়া জানা এই মেয়েরা যখন ছেলেদের পাশাপাশি সব জায়গায় কাজ করবে, সিদ্ধান্ত নেবে, নেতৃত্ব দেবে তখন যে বিপ্লবটুকু ঘটবে সেটা কী কেউ অনুভব করতে পারছে ? আমরা সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে দুশ্চিন্তা করি, জঙ্গি বাহিনী নিয়ে দুর্ভাবনা করি, একটা শিক্ষিত মা কি কখনো তার সন্তানকে নারী বিদ্বেষী, ধর্মান্ধ জঙ্গি দেশদ্রোহী হতে দেবে ? দেবে না। কাজেই দেশের অনেক মানুূষ যখন নানা ধরণের দুশ্চিন্তায় হতাশাগ্রস্ত হয় আমি তখন ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াই। দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমার কোনো দুর্ভাবনা নেই।’
৬.    মুহম্মদ জাফর ইকবাল লিখেছেন, ‘পাঠ্যবই নিয়ে কথা বলতে হলে আমি সব সময়ই এক জায়গায় এসে খুব আনন্দ পাই, সেটি হচ্ছে বছরের শুরুতে সব ছাত্রছাত্রীর হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া। প্রতি বছর যে পরিমাণ পাঠ্যবই ছাপানো হয়, আমি হিসাব করে দেখেছি সেগুলো একটার পর আরেকটা বসানো হলে পুরো পৃথিবীটা তিনবার পাক খেয়ে আসবে। ছোট ছোট শিশু কিশোররা যখন তাদের নতুন বইগুলো বুকে চেপে ধরে হাসিমুখে বাসায় যায় তার থেকে সুন্দর দৃশ্য পৃথিবীতে আর কিছু হতে পারে না। ’
৭.    তাছাড়া তিনি প্রবন্ধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় – পাঠ্যপুস্তকের মান, পাঠদানের মান, সৃজনশীল পদ্ধতি সঠিকভাবে কার্যকর করতে না পারা, শিক্ষকদের দক্ষতা ও মান, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, পরীক্ষা গ্রহণ ত্রুটি, বেশি নম্বর দেয়া প্রভৃতি বিষয়ে তার মতামত তুলে ধরে আমাদের ভুল ত্রুটি বিশ্লেষণ করেছেন। ভবিষ্যতের জন্য চমৎকার পাঠ্যপুস্তক তৈরী, দক্ষ শিক্ষক ও উন্নত পাঠদান পদ্ধতির কথা বলেছেন, যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা এখন রাতদিন কাজ করছি -কারণ এখন গুণগত মান বৃদ্ধি আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তেল-গ্যাস-সমুদ্রসহ আমাদের অনেক সম্পদের কথা জানা আছে। আমাদের নতুন প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীরা হলো সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাঁটি সম্পদ। এসব কথা বলে তিনি আমাকেসহ পুরো জাতিকে আশ্বান্বিত করেছেন উজ্জীবিত করেছেন।
৮.    তবে প্রথমেই আমি তার লেখার যে অংশের উদ্বৃতি দিয়েছি তাতে তিনি সকল কথাই সঠিকভাবে বলেছেন শুধু -যখনই জরিপ করা হতো দেখা যেত জনপ্রিয়তার শীর্ষে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী’ – এই অংশটুকু আমার জন্য বিব্রতকর। শিক্ষাক্ষেত্রে যে সাফল্য তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র শিক্ষা পরিবারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। সকলের সাথে আমি একজন কর্মী হিসেবে কাজ করেছি।
৯.    অধ্যাপক জাফর ইকবাল যে সকল ভুলত্রুটির বিষয়ে উল্লেখ করেছেন এবং যে সকল পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেছেন-আমরা তা শ্রদ্ধার সাথে বিবেচনা করে আমাদের সাধ্যমত পদক্ষেপ গ্রহণ করব, আমাদের সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও।
১০.     তবে একটি বিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা দেয়া প্রয়োজন, কারণ এটাকেই তিনি শিরোনাম করেছেন এবং শেষ করেছেন এই বিষয় দিয়েই। শেষ লাইনগুলো এরকম ‘আমাদের শিক্ষাপদ্ধতির কিছু কিছু ঘোড়া (পিএসসি পরীক্ষা, জেএসসি পরীক্ষা) মরে গেছে, শুধু তাই নয়, মৃতদেহ থেকে রীতিমত দুর্গন্ধ বের হতে শুরু করেছে। এখন যত দ্রুত সম্ভব এগুলোকে কবর দিতে হবে। ’
পঞ্চম শ্রেণী ও অষ্টম শ্রেণীর পর দুটি পরীক্ষা পাবলিক পরীক্ষা হিসেবে গ্রহণ করা হচ্ছে, তা চিরস্থায়ী নয়, তা প্রয়োজন না হলে পরিবর্তন করা যায়। এটা কোনো চিরস্থায়ী বিষয় নয়। যে প্রেক্ষাপটে পিএসসি ও জেএসসি পাবলিক পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে সে সম্পর্কে অতি সংক্ষেপে দু’কথা বলার চেষ্টা করছি। অনেকে বলেন আমরা পরীক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছি – তা ঠিক নয়। আমরা পরীক্ষা কমিয়ে দিয়েছি। তবে এই দুই পরীক্ষা জাতীয়ভাবে গ্রহণের পদ্ধতি আমরা চালু করেছি। বছরের শেষে পরের শ্রেণীতে উঠার জন্য বার্ষিক পরীক্ষা সকল শ্রেণীতেই সব সময় বাধ্যতামূলক। কিন্তু পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণী শেষে আমাদের দেশে দুটি পরীক্ষা প্রচলিত ছিল। একটি হলো বৃত্তি পরীক্ষা, আরেকটি হলো বার্ষিক পরীক্ষা। বাছাই করা শিক্ষার্থীরা প্রথম বৃত্তি পরীক্ষা দেয়, পরে সকলে মিলে বার্ষিক পরীক্ষা দেয়, পরবর্তী শ্রেণীতে উঠার জন্য। কোন স্কুল কয়টা বৃত্তি পেল তা দিয়ে স্কুলের সাফল্য, মান বা সুনাম বিবেচনা করা হতো। তাই শিক্ষকরা নিজের স্কুলের সাফল্য বা সুনামের জন্য ২০%-২৫% মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাছাই করে আলাদা করে পড়াতেন। বাকী ৮০%-৭৫% এর ছুটি। কিন্তু আমাদের তো সকল শিক্ষার্থীকে ক্লাশ করতে হবে এবং গুরুত্ব দিয়ে পড়াতে হবে। তাই আমরা দুইটি পরীক্ষার পরিবর্তে একটি পরীক্ষা চালু করেছি-যারা সবার চেয়ে বেশি নম্বর পাবে তারা বৃত্তি পাবে। আরেকটি বিষয় হলো আমরা যখন দায়িত্ব নেই তখন ৯% শিশু স্কুলেই ভর্তি হতো না। যারা ভর্তি হতো তাদের ৪৮% পঞ্চম শ্রেণীর আগেই স্কুল ত্যাগ করতো বা ঝরে পড়তো। যারা মাধ্যমিক পর্যায়ে যেতো তাদের মধ্যে নবম শ্রেণীর আগেই ৪২% ঝরে পড়তো। তা হলে অনুমান করেন মোট শিশুর ক্ষুদ্র একটি অংশ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত টিকতে পারতো। দশম শ্রেণীর পূর্বে তাদের কোনো জাতীয় স্বীকৃত সার্টিফিকেট ছিল না। তাই তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম বা নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া সবই তাদের কাছে সমান বা স্বীকৃতিহীন।
তাছাড়া সকল শিশু স্কুলে আনার জন্য আমরা বিনামূল্যে বছরের প্রথম দিন পাঠ্যপুস্তক দিচ্ছি, ৪০% দরিদ্র শিশুদের উপবৃত্তি দিচ্ছি, এরকম স্কুলে শিশুদের স্কুলে আসা এবং অভিভাবকের স্কুলে পাঠানো উৎসাহিত করার জন্য আমাদের নানা কার্য্যক্রমের মধ্যে এই পরীক্ষাকেও আমরা আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার জন্য জাতীয় পরীক্ষায় রূপান্তরিত করলাম। এতে একটি সার্টিফিকেট পাওয়ার আশায় পঞ্চম শ্রেণী বা অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত টিকে থাকার একটা আকর্ষণ সৃষ্টি হয়েছে। তা ছাড়া এই সকল পর্যায়ে পরীক্ষা দিয়ে শিশুরা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠছে। জাতীয়ভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতে একটি সমমান অর্জনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, গ্রামে-শহরে বিরাজমান বিরাট পার্থক্য কমে আসবে।
বড় শহরের উচ্চ বিত্তদের সন্তানদের হয় তো এরকম পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আমাদের  গ্রাম-হাওর-বাওর, পাহাড়, নদী ভাঙ্গন-চরাঞ্চল, পশ্চাদপদ অঞ্চলের শিশুদের জন্য পরীক্ষা দু’টি উৎসব। সন্তানরা পাবলিক পরীক্ষা দিচ্ছে এজন্য তাদের পিতা-মাতার জন্য গৌরব হিসেবে তারা উৎসাহিত। এক সময় হয় তো এ পরীক্ষা প্রয়োজন হবে না – কিন্তু স্কুলে আসতে, টিকে থাকতে, একটি সমমান অর্জনে এবং সর্বোপরি শিশুদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে যদি এই পরীক্ষা সাহায্য করে তা হলে পরীক্ষাগুলোর যে সকল সমস্যা বা ত্রুটি আছে তা দূর করে এগিয়ে যেতে পারি। কারণ পরীক্ষার্থী ও তাদের পিতা-মাতা আমাদের কাছে তাদের আনন্দ প্রকাশ করেন।
১১.    তারপরও যেহেতু এরকম একজন ব্যক্তিত্ব এই পরীক্ষা দুটোকে ‘মৃত পচা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে’ বলে আখ্যায়িত করেছেন, তখন আমরা নিশ্চয়ই শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের দিয়ে তদন্ত করে এ সম্পর্কে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে করণীয় নির্ধারণ করব।
অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবালকে শিক্ষার ক্ষেত্রে ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে, সমালোচনা, সুপারিশ ও পরামর্শ দেয়ার জন্য এবং প্রশংসা করার জন্য ধন্যবাদ।

ভয়াবহ যানজটের কারণ ও উত্তরণের উপায়!

॥ মকসুদ হোসেন ॥

রাজধানীসহ সিলেট চট্টগ্রামে ভয়াবহ যানজট নিয়ে সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রায়ই পরিবেশন করা হচ্ছে। যানজটের মূল সমস্যা হচ্ছে প্রতিবন্ধকতা। কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে যানজটের বিভিন্ন কারণগুলো। যানজটের কারণে বছরে পঁচিশ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে বলে বিগত ১৮ই সেপ্টেম্বর ’০৯ ‘দৈনিক ইত্তেফাকে’ প্রকাশিত হয়েছিল। বছরে কত কর্ম ঘণ্টা নষ্ট এবং জ্বালানীর অপচয় হয় তা গবেষণা করে বুয়েটের এক অধ্যাপক ড. জুবায়ের দীন আলম এই তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। এই পাঁচ বছরে এ যানজটের কারণে জুবায়ের সাহেবের তথ্যের হিসাব অনুযায়ী ১২৫ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। ১৭ই জানুয়ারী ২০১০ইং দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছিল ফ্লাইওভারেও ভয়াবহ যানজটে রূপ নিয়েছে। ৯ মে ২০১৪ বছরে শত শত কোটি টাকা চাঁদা ঢাকার ফুটপাত থেকে আসে। অন্যদিকে ১৮ নভেম্বর ২০১৪ দৈনিক নয়াদিগন্তে ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। যানজট অক্টোপাসের মতো ধরেছে ঢাকাকে। বছরে ক্ষতি ২০ হাজার কোটি টাকা। সংবাদে আরো বলা হয় ১০ মিনেটর পথ অতিক্রম করতে ১ ঘণ্টা সময় পার হয়ে যাচ্ছে। এতো গেল রাজধানীর ঢাকার চিত্র। ঢাকার বাইরেও যানজটের ভয়াবহতা রয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-আরিচা রোডে যানজট এখন নিত্য ঘটনা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যেতে কোন কোন দিন যাত্রীকে অতিরিক্ত ৫ ঘণ্টার বেশী সময় গুণতে হয়। যানজটের কারণে বছরে ২০ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে। দিনে নষ্ট হচ্ছে ৩২ লাখ কর্ম ঘণ্টা। সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে চলাচলকারী যানবাহন গুলোকে গড়ে ৭ ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়। সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৈয়দ ময়নুল হাসান ও পরিবহন বিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ মারুফা ইসমাত রাজধানীর বিভিন্ন রুটে সমীক্ষা চালিয়ে ক্ষয়-ক্ষতির এই ভয়াবহ তথ্য দিয়েছেন। এমনকি গত ১২ই নভেম্বর ২০১৪ রাজধানীর সোনাগাঁও হোটেলে একটি অনুষ্ঠানে দেরীতে পৌঁছানোর জন্য সরাসরি যানজটকে দায়ী করেছেন মান্যবর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি যানবাহন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেন, আমাদের কি রাস্তাঘাট ছোট, নিশ্চয়ই না। তিনি ম্যানেজমেন্টকেই অন্যতম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ঢাকা শহরে যানজট নিরসনের জন্য সরকারের সেতু ও যোগাযোগ মন্ত্রী ফাটা কেষ্ট নায়কের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন। পুলিশ বিভাগ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে লোক দেখানো পদক্ষেপ নিচ্ছেন। যেমন গাড়ী উল্টো পথে ঘুরলেই চাকা পাঞ্চার। ফিটনেস বিহীন গাড়ীর বিরুদ্ধে অভিযান, রাজপথে লিফলেট বিতরণ এসব কার্যক্রম সহ অন্যান্য পদক্ষেপে যানজট আরো প্রকট আকার ধারণ করছে। এমনকি গত এপ্রিল মাসে দৈনিক প্রথম আলোতে এসেছে ফ্লাইওভার গুলোতে লেগুনা টেম্পুর ষ্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে।  যানজটে নাকাল নগরবাসী। ঢাকার রাস্তাগুলো বেশ চওড়া। কেউ কেউ যানজট নিরসনের জন্য সরকারকে বিভিন্ন ধরনের ফর্মূলা ও পরামর্শ দিচ্ছেন। অনেকে রিক্সার কথা বলেন। রিক্সা যানজটের অন্যতম কারণ হতে পারে না। রিক্সা এমন একটি যানবাহন, যার মাধ্যমে অল্প টাকায় বাড়ি বা বাসার সামনে গিয়ে নামা যায়।
প্রশ্ন হলো বিগত ১/১১ তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীতে যানজট নিরসন কেমন করে হলো? তা দেখিয়ে দেয়ার অবকাশ মনে করি না। তাদের আমলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরেও মালামাল হোন্ডিলিংয়ে কার্গোজট বহুলাংশেই কমে গিয়েছিল বলে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি দেশের সরকারি ও আধাসরকারি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বহুলাংশে শৃংখলা ফিরে এসেছিল। সেই সময় দুর্বৃত্তরাও তটস্থ ছিল। বর্তমানে দুর্বৃত্তরা ও দুর্নীতিবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সর্বত্রই আজ বিশৃংখলা বিরাজ করছে। আমি একজন সচেতন রাজনৈতিক ব্যক্তি। তার পাশাপাশি উচ্চ পর্যায়ে দুর্নীতি বন্ধের লক্ষ্যে সিলেট নগরীতে একটি সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। ১/১১ সরকারের প্রশংসা বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকেই উল্লেখ করেছি। প্রায় গণমাধ্যমে দেখা যায়, যানজট নিরসনের জন্য কর্তৃপক্ষ নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন যা অন্তঃসার শূন্য। সংসদীয় কমিটির কাছে কয়েকটি সুপারিশমালা দিয়েছেন। তাতে উল্লেখ ছিল, লিংক রোড, ফ্লাইওভার সহ বিভিন্ন নতুন নতুন এবং ব্যয়বহুল পদক্ষেপ গ্রহণের। এই সমস্ত প্রজেক্টগুলো বাস্তবায়নের ফলে শুধু লুটপাট হয়েছে, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সুপারিশমালা গুলোতে সচেতন মহল মনে করেন কৌশলে যানজটের মূল সমস্যাগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়। ভয়াবহ এই যানজটের কবলে পড়ে বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর দৈনন্দিন কর্মসূচি তছনছ হয়ে যাচ্ছে। যানজটের মূলসমস্যা হচ্ছে ফুটপাত অবৈধভাবে দখল, নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের অর্ধেক জায়গা জুড়ে দোকানপাট, অবৈধ গাড়ি পার্কিংসহ রাজপথ দিয়ে সাধারণ পথচারিদের চলাফেরা অন্যতম কারণ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া, গুলিস্তান, নয়াপল্টন, বায়তুল মোকাররম, মতিঝিল, বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, পল্টন, ফার্মগেইট মোড়, মৌচাক, মালিবাগ, নিউ এ্যালিফেন্ট রোড, সায়দাবাদ ও গাবতলী সহ প্রধান প্রধান রাস্তার উপর অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিং এবং টং দোকানগুলো থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে। যা গণমাধ্যমে ফলাওভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এর সাথে জড়িত একশ্রেণীর পুলিশ প্রশাসন ও দুর্বৃত্তরা। প্রায় দেখা যায়, রোগী বহনকারী এম্ব্যুালেন্সগুলো সাইরেন বাজানোর পরেও যানজট থেকে মুক্তি না পেয়ে সময়মত গন্তব্যে পৌঁছতে না পেরে কত বনী আদম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। তার হিসাব কিন্তু কেউ রাখেনি। নিম্নে প্রদত্ত কয়েকটি  পদক্ষেপ জরুরীভাবে গ্রহণ করলে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর ভরসা করে বলতে পারি দেশের এই ভয়াবহ যানজট বহুলাংশে কমে আসবে ইনশাআল্লাহ!
১.    রাজধানীর প্রধান প্রধান ফুটপাত এবং রাজপথ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত হকার ও অবৈধ স্থাপনা এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
২.    বিভিন্ন বিতানী মার্কেটের দোকানগুলোর মালামাল তাদের দোকানের নিজ সীমানায় রাখতে হবে এবং ল্যান্ড সাইনবোর্ডগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে।
৩.     প্রধান প্রধান সড়কের উপর পার্কিং লিজ বাতিল করতে হবে।
৪.    নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নির্দিষ্ট পার্কিং ছাড়া যে কোন যানবাহন পার্কিং করলে পার্কিংকারি ব্যক্তি যতই ক্ষমতাধর হোন না কেন তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫.    প্রধান প্রধান রোড বা মোড়ের রাস্তার সামনে দাঁড়িয়ে গাড়িতে না ওঠা এবং সিগনাল অমান্য করে রাস্তা পারাপার না হওয়ার জন্য ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনে মাইকিং প্রচারণা ও খবরদারী ভূমিকা রাখতে জোরালো পদক্ষেপ নিতে হবে।
৬.    রাস্তার প্রধান প্রধান মোড়ের টিকিট কাউন্টারগুলো উঠিয়ে রাস্তা হতে কমপক্ষে ছয়শত গজ দূরে নিয়ে বসাতে হবে।
৭.    যাত্রীবাহী বাসগুলো নির্দিষ্ট জায়গায় থেমে অর্থাৎ ফুটপাত ঘেঁষে যাত্রীদের নামাতে হবে।
৮.    টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লার গাড়িগুলো বের হওয়ার সাথে সাথে যত্রতত্র পার্কিং বন্ধ করতে হবে। যদি পার্কিং এর প্রয়োজন হয় তবে নির্দিষ্ট জাযগায় নিয়ে পার্কিং করতে হবে।
৯.    যে সমস্ত বহুতল মার্কেট এবং বিপণী বিতানের নিজস্ব পার্কিং ব্যবস্থা নেই তাদেরকে তড়িৎ গতিতে পার্কিং ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য করতে হবে। অন্যথায় তাদের ব্যবসার লাইসেন্স নবায়ন বন্ধ বা প্রয়োজনে বাতিল করতে হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
১০।    মহাসড়কগুলোতে যানজটের সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষ্যে রাস্তার উপর হাট-বাজার গাড়ী মেরামত সহ সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক মোবাইল টিম চালু রাখতে হবে।
১১।    হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য শুক্র, শনি ও রবিবার এই তিনদিন তাদেরকে নিয়মমাফিক দিক নির্দেশনা দিয়ে রাস্তায় ব্যবসা করার সুযোগ করে দেয়া যেতে পারে। বাকী সপ্তাহের চার দিন কোন অবস্থায় হকার ও ক্ষদ্র ব্যবসায়ীরা যান চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে যাতে কোন বিড়ম্বনা ও প্রতিবন্ধকতা না করেন সেদিকে নজরদারী ও প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।